ইন্ডিয়া টুডে-তে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, অভিযুক্ত ওই যুবকের নাম রাজেশ৷ বান্ধবী বিয়ের জন্য চাপ দিতে শুরু করতেই তাকে একটি নির্জন জায়গায় ডেকে পাঠায় রাজেশ৷ সেখান থেকেই তারা পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করবে বলেও ওই নাবালিকাকে আশ্বস্ত করেছিল অভিযুক্ত৷ রাজেশের কথা মতো তার নাবালিকা প্রেমিকা নির্জন সেই জায়গায় পৌঁছতেই তাকে শ্বাসরোধ করে খুন করে অভিযুক্ত৷ এর পর নিজের এক বন্ধুর সাহায্য নিয়ে ওই নাবালিকার দেহ একটি কুয়োর ভিতরে ফেলে দেয় অভিযুক্ত৷
advertisement
জানা গিয়েছে, রাজেশ এবং ওই নাবালিকা একই গ্রামের বাসিন্দা ছিল৷ প্রায় এক বছর ধরে তাদের মধ্যে সম্পর্ক ছিল৷ দু জনের ঘনিষ্ঠতার ফলে ওই নাবালিকা অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে৷ এর পর থেকেই ওই নাবালিকা বিয়ের জন্য রাজেশের উপরে চাপ দিতে শুরু করে৷ যা নিয়ে দু জনের মধ্যে মাঝেমধ্যেই অশান্তি শুরু হয়৷ রাজেশ গোটা বিষয়টি নিজের বন্ধু রাহুলকে জানায়৷ এর পরেই দু জন মিলে ওই নাবালিকাকে খুনের চক্রান্ত করে৷
খুনের পর ওই নাবালিকার শরীরে একটি পাথর বেঁধে তার দেহ একটি কুয়োর ভিতরে ফেলে দেয় রাজেশ এবং রাহুল৷ নাবালিকা নিখোঁজ হতেই তার পরিবার পুলিশে অভিযোগ জানায়৷ তদন্তে নেমে পুলিশ রাজেশকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে৷ তখনই তার কথায় অসঙ্গতি পায় পুলিশ৷ চেপে ধরতেই নাবালিকাকে খুনের কথা স্বীকার করে নেয় রাজেশ৷ ইতিমধ্যেই দুই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে পুলিশ৷
