জানা গিয়েছে, ২০২২ সালে বিয়ে হয় যোগেশ নামে ওই যুবকের৷ বিয়ের পর থেকেই দাম্পত্য কলহ লেগেই থাকত যোগেশ এবং তাঁর স্ত্রীর মধ্যে৷ বিবাহিত জীবনের এই অশান্তি থেকে মুক্তি পেতেই স্থানীয় একটি মন্দিরে মানসিক রেখেছিলেন যোগেশ৷ তিনি প্রতিজ্ঞা করেছিলেন, স্ত্রীর সঙ্গে ডিভোর্স হলেই বাড়ি থেকে মন্দির পর্যন্ত ৯ কিলোমিটার রাস্তা তিনি দণ্ডি কাটবেন৷
advertisement
শেষ পর্যন্ত ২০২৫ সালে ডিভোর্স হয় যোগেশের৷ মনস্কামনা পূরণ হওয়ায় কয়েকদিন আগেই বাসতির নাখোরিয়া গ্রাম থেকে সিদ্ধ পীঠ বৈরওয়া সময় মাতা মন্দির পর্যন্ত ৯ কিলোমিটার পথ দণ্ডি কেটে আসেন তিনি৷
দিল্লিতে প্লাস্টার অফ প্যারিসের কাজ করতেন যোগেশ৷ বিয়ের পর স্ত্রীকে দিল্লিতেও নিয়ে আসেন তিনি৷ কিন্তু কম উপার্জন এবং অনিয়মিত কাজের সময় নিয়ে স্ত্রীর সঙ্গে দাম্পত্য কলহ শুরু হয় তাঁর৷ যার জেরে শেষ পর্যন্ত বিবাহ বিচ্ছেদ হয় যোগেশের৷
যেহেতু ওই এলাকায় ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১২৫ ধারা বলবৎ রয়েছে (সিআরপিসি-র ১৪৪ ধারা), সেই জন্য দণ্ডি কাটার রীতি পালনের জন্য প্রশাসনের থেকে বিশেষ অনুমতি নেন যোগেশ৷ গত শনিবার সকালবেলা নির্জলা উপোস রেখেই দণ্ডি কাটা শুরু করেন তিনি৷ যোগেশের সঙ্গে তাঁর বাবা, মা এবং গ্রামবাসীরাও ছিলেন৷ ৯ কিলোমিটার পথ পেরিয়ে সন্ধেবেলা ওই মন্দিরে পৌঁছন তিনি৷ শারীরিক ধকল, হাঁটু ছরে গেলেও শেষ পর্যন্ত মানসিক পূরণ হওয়ায় দৃশ্যতই স্বস্তিতে ছিলেন যোগেশ৷
