মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দোকানে ঢুকতে দেখেই আশেপাশের বহু মানুষ ছুটে আসেন৷ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বেশ কিছুক্ষণ কথা বলেন স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে। হারাধন বাবুর সাথে হাত মিলিয়ে সিঙাড়া বানান তিনি৷ এরই মাঝে তিনি কথায় কথায় জেনে নেওয়ার চেষ্টা করেন স্থানীয় মানুষ কী কী সাহায্য পান এখানে৷ সব প্রকল্পের সুবিধা পাওয়া যায় কিনা৷
advertisement
জাতীয় সড়কের পাশে দোকান তাই মানুষের মন বুঝেছেন তিনি৷ এরই মাঝে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শুরু করেন চা বানানো৷ নিজেই সেই চা বানিয়ে অনেককে দেন৷ এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশাপাশি দোকানের সামনে উপস্থিত মানুষের সঙ্গে কথা বলেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দোপাধ্যায়।
চা-দোকানেই মমতা কথায় কথায় বলেন, "আমরা ঘরের মেয়েরা সব কাজ করতে পারি। সংসারের সব কাজ আমরা করি৷" এরপরেই তিনি পানের খিলি বানান৷ ত্রিপুরায় কারও ঘরে গেলেই পান দেওয়া হয়৷ এটাই আপ্যায়নের দস্তুর। এদিন সে কথাও বলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
আরও পড়ুন: 'ত্রিপুরা বিধানসভা ভোটে নোটার থেকেও কম ভোট পাবে তৃণমূল', পিংলা থেকে চ্যালেঞ্জ শুভেন্দুর
এদিন আগরতলায় পৌঁছেই মাতাবাড়িতে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ত্রিপুরেশ্বরী মন্দিরে পুজো দেন তিনি। প্রসঙ্গত, ২০২১ সালে ত্রিপুরায় তৃণমূলের নতুন করে সংগঠন কাজ শুরু করলে, অভিষেক বন্দোপাধ্যায় এখানে পুজো দিয়েছিলেন। ত্রিপুরার মানুষের সঙ্গে তিনি কতটা একাত্ম এদিন তা বুঝিয়ে দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও।
