বিদেশমন্ত্রকের বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ভারত এবং বাংলাদেশের গভীর এবং দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্কের স্বীকৃতি হিসেবেই ওম বিড়লা তারেক রহমানের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন৷ ভারত যে দু দেশের গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকেও সম্মান জানায়, সেকথাও বিবৃতিতে মনে করিয়ে দিয়েছে নয়াদিল্লি৷
সদ্য সমাপ্ত বাংলাদেশের সাধারণ নির্বাচনে বিপুল জয় পেয়েছে বিএনপি৷ দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে চলেছেন৷
advertisement
তারেক রহমানের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে মোট ১৩টি দেশের রাষ্ট্রপ্রধানকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে বাংলাদেশ৷ ভারত ছাড়াও সেই তালিকায় রয়েছে পাকিস্তান, চিন, সৌদি আরব, তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, কাতার, মালয়েশিয়া, ব্রুনেই, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, মলদ্বীপ এবং ভুটান৷
বাংলাদেশের নির্বাচনে বিএনপি-র বিপুল জয়ের পরেই প্রথমে সমাজমাধ্যমে বাংলায় পোস্ট করে এবং তার পর তারেক রহমানকে ফোন করে অভিনন্দন জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি৷ শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকেই ভারত এবং বাংলাদেশের সম্পর্কের উল্লেখযোগ্য অবনতি হয়েছে৷ তারেক রহমানের আমলে সেই চিড় ধরা সম্পর্ক অনেকটাই মেরামত হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে৷ বিশেষত, তারেক রহমানের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে নরেন্দ্র মোদিকে আমন্ত্রণ জানানো বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ইতিবাচক পদক্ষেপ বলেই মনে করছেন কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞরা৷
