কর্ণাটকের কর্মিবর্গ এবং প্রশাসনির সংস্কার দফতর (DPAR) সাসপেনশনের নির্দেশে স্পষ্ট করে জানানো হয়েছে, ‘সমস্ত সংবাদমাধ্যম এবং নিউজ চ্যানেলে ভিডিও সম্প্রচারে’ র প্রেক্ষিতে এই পদক্ষেপ করা হয়েছে৷
রাও পরিবারের সময় মনে হয় খুব একটা ভাল যাচ্ছে না৷ ক’দিন আগেই বিদেশ থেকে সোনা পাচারের অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছিলেন দক্ষিণী অভিনেত্রী রানিয়া রাও৷ এবার তাঁর আইপিএস বাবারও বিতর্কিত ভিডিও এল সামনে৷
advertisement
ভাইরাল ভিডিওয় দেখা গিয়েছে, ওই আইপিএস অফিসার নিজের অফিসে বসেই পুলিশের পোশাকে এক মহিলার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হচ্ছেন৷ ওই একই মহিলাকে একাধিকবার আলাদা আলাদা পোশাকে ওই পুলিশকর্তার সঙ্গে আপত্তিজনক অবস্থায় দেখা গিয়েছে৷ সবক্ষেত্রেই এই ঘটনা ঘটেছে রামচন্দ্র রাওয়ের সরকারি অফিসে৷ একটি ক্লিপে, তাঁকে তাঁর অফিসে ইউনিফর্ম পরে বসে থাকা অবস্থায় ওই মহিলাকে চুম্বন করতে দেখা যাচ্ছে, অন্যদিকে আরেকটি ভিডিওতে তাঁকে স্যুট পরে ভারতীয় পতাকা এবং পুলিশ বিভাগের প্রতীকের সামনে একই রকম আচরণ করতে দেখা যাচ্ছে।
ভাইরাল হওয়া ভিডিওয় দেখা গিয়েছে, ভিন্ন ভিন্ন পোশাকে রামচন্দ্র রাওয়ের অফিসে ঢুকছেন ওই মহিলা, প্রত্যেক বারই তাঁর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হচ্ছেন ওই পুলিশকর্তা৷ ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক এবং ক্যাপশন সহ প্রচারিত ক্লিপগুলিতে মহিলার মুখ ঝাপসা ছিল। যদিও ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি নিউজ১৮ বাংলা৷
ঘটনায় কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিলেন কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়াও৷ গোটা ঘটনার রিপোর্ট চেয়েছেন তিনি৷ সরকারি দফতরে বসে কীভাবে একজন পুলিশ অফিসার কোথা থেকে এমন কীর্তি করার সাহস পেলেন, তা জানতে চেয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া৷ তিনি বলেছেন, আমরা ঘটনার তদন্ত করে শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে যথাযথ ব্যবস্থা নেব৷ কেউই আইনের ঊর্ধ্বে নন৷
বেঙ্গালুরুতে সংবাদমাধ্যমের সাথে কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘‘এগুলি কারসাজি করা ভিডিও। এরকম কোনও ঘটনা ঘটেনি। আমি আমার আইনজীবীর সাথে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করব এবং এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেব।’’
