এই স্থানগুলিতে আজকের তারিখ পর্যন্ত মোট ৫৮৭টি কাউন্টার কভার করা হয়েছে। পাশাপাশি ১৮৯টি অতিরিক্ত কিউআর কোড মেশিন ক্রয়ের বিষয়টি অগ্রগতির পর্যায়ে রয়েছে এবং শীঘ্রই এগুলি নির্বাচিত স্টেশনে স্থাপন করা হবে। কিউআর কোড মেশিন গুয়াহাটি, কামাখ্যা, নিউ জলপাইগুড়ি, রঙিয়া, নিউ তিনসুকিয়া, কাটিহার, নিউ বঙাইগাঁও, গোয়ালপাড়া টাউন, দার্জিলিং, কিষানগঞ্জ, নিউ কোচবিহার, ঘুম ইত্যাদির মতো প্রধান স্টেশনে প্রদান করা হয়েছে।কিউআর কোড-ভিত্তিক টিকিট বুকিং ব্যবস্থার ফলে যাত্রীরা বিভিন্ন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে নিজেদের টিকিট বুক করতে এবং ফিজিক্যাল কোনও যোগাযোগ ছাড়াই যাত্রীরা স্টেশনগুলিতে কিউআর কোড স্ক্যান করে নিজেদের টিকিট লাভ করতে পারবে।
advertisement
এই পদক্ষেপের ফলে টিকিট কাউন্টারগুলিতে মানুষের লম্বা লাইন হ্রাস হবে, নগদের ব্যবহার কমবে এবং একটি দ্রুত ও অধিক সুরক্ষিত টিকিট বুক করার ব্যবস্থা সুনিশ্চিত হবে। নগদহীন টিকিট বুকিং ব্যবস্থার জন্য কিউআর কোড মেশিন চালু করাটা উত্তর পূর্ব সীমান্ত রেলওয়ের কাছে একটি মাইলস্টোন অর্জন করার মতো বিষয়, কারণ পরিষেবার আধুনিকীকরণ ও যাত্রীদের সুবিধা বৃদ্ধি করার জন্য উত্তর পূর্ব সীমান্ত রেলওয়ের পক্ষ থেকে অবিরত প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে।
টিকিট বুকিংয়ের ক্ষেত্রে উদ্ভাবনীমূলক প্রযুক্তি গ্রহণ করার ফলে ট্রেন যাত্রীদের জন্য ভ্রমণ সহজ এবং সুরক্ষিত হয়ে উঠবে। এর আগে, আনরিজার্ভড টিকেটিং সিস্টেম (ইউটিএস) অ্যাপের মাধ্যমে মোবাইল অ্যাপ-ভিত্তিক টিকিট বুকিং ব্যবস্থা ইতিমধ্যেই গ্রহণ করেছে উত্তর পূর্ব সীমান্ত রেলওয়ে।
এই অ্যাপের মাধ্যমে যাত্রীরা বাড়িতে বসে নিজেদের স্মার্ট ফোন ব্যবহার করে ভ্রমণের পরিকল্পনা অনুযায়ী স্বাচ্ছন্দ্যে অসংরক্ষিত টিকিট বুক করতে পারছেন।‘ডিজিটাল ইন্ডিয়া’ পদক্ষেপের লক্ষ্য হলো তিনটি ‘‘সি’’ অর্থাৎ কনট্যাক্টলেস টিকেটিং, ক্যাশলেস ট্র্যানজ্যাকশন এবং কাস্টোমার কনভেনিয়েন্স অ্যান্ড এক্সপেরিয়েন্স-এর প্রচার করা।
তাই উত্তর পূর্ব সীমান্ত রেলওয়ের পক্ষ থেকে রেল ব্যবহারকারীদের বুকিং কাউন্টারগুলিতে নগদহীন টিকিট বুকিং ব্যবস্থার সুবিধা গ্রহণ করা এবং ভারতীয় রেলওয়ের এই ডিজিটাল পদক্ষেপের একজন সক্রিয় অংশ হয়ে ওঠার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে।
