প্রসঙ্গত, এই আবহেই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পীযূষ গোয়ালও আশ্বস্ত করেছেন যে, অন্যান্য দেশে জ্বালানি নিয়ে সঙ্কট তৈরি হলেও ভারতে এখনও সে রকম কোনও পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়নি।
পশ্চিম এশিয়ার সামরিক সংঘাতের জেরে বিশ্ব জুড়ে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে যে টানাপড়েনের সৃষ্টি হয়েছে তাঁর উত্তাপ এসেছে ভারতের উপরেও। হরমুজ প্রণালী অবরুদ্ধ থাকার ফলে পশ্চিম এশিয়ার থেকে তেলবাহী জাহাজগুলি সংশ্লিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছতে পারছে না। এই পরিস্থিতিতে যাতে দেশে কোনওভাবেই জ্বালানির কোনও সঙ্কট সৃষ্টি না হয়। সে বিষয়ে নিশ্চিত করেছেন মন্ত্রী গোয়েল। তিনি জানিয়েছেন, গোটা পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে। তার উপর ভিত্তি করেই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হবে।
advertisement
সরকারি সূত্রের দাবি, এই যুদ্ধ পরিস্থিতিতে জ্বালানি সরবরাহের ঘাটতি না হয়, সেই বিষয়ে নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, আলজেরিয়া, অ্যাঙ্গোলা, আর্জেন্টিনা, অস্ট্রেলিয়া, বেলজিয়াম, ব্রাজিল, ব্রুনাই, কানাডা, কলোম্বিয়া, ইকুয়েডর, মিশর, ইরাক, ইজরায়েল, দক্ষিণ কোরিয়া, কুয়েত, লিবিয়া, মালয়েশিয়া,মেক্সিকো, নেদারল্যান্ডস, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, ব্রিটেন, আমেরিকা এবং ভেনেজুয়েলা-সহ মোট ৪০টি দেশের কাছ থেকে ঘুরপ্তহে জ্বালানি আনা হচ্ছে। আগে ২৭টি দেশ থেকে জ্বালানি আনা হত।
প্রসঙ্গত, আমেরিকা এবং ইজরায়েলের সঙ্গে ইরানের সংঘর্ষ শুরু হওয়ার পর থেকেই পারস্য উপসাগর এবং ওমান উপসাগরের মধ্যবর্তী সরু হরমুজ প্রণালী গিয়ে জাহাজ চলাচল কার্যত বন্ধ করে দিয়েছে ইরান। প্রতি দিন গোটা বিশ্বে যত তেল রফতানি হয় তার ২০ শতাংশ যায় এই হরমুজ প্রণালী দিয়ে। আপাতত, ছোটবড় বহু জাহাজ আটকে আছে এই প্রণালীতে। ফলে জ্বালানি ঘাটতি দেখা দিচ্ছে বহু দেশেই।
