শুক্রবার সকালে এক্স হ্যান্ডলে একটি শুভেচ্ছাবার্তা পোস্ট করেন মোদি। লেখেন, “এই জয় বুঝিয়ে দিল বাংলাদেশবাসী আপনার নেতৃত্বে আস্থা রাখেন।” তারেকের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে নয়াদিল্লির সম্পর্ক নিয়েও বার্তা দিয়েছেন মোদি। গণতান্ত্রিক, উন্নয়নশীল বাংলাদেশের পাশে আছে ভারত – তা জানিয়ে প্রধামন্ত্রীর বক্তব্য, ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে বহুবিধ সম্পর্ক রয়েছে, পারস্পরিক স্বার্থরক্ষার তাগিদে সেসব আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে বলে আশা করেন তিনি।
advertisement
আরও পড়ুন: বাংলাদেশে কোন ‘বিষয়’ পড়তে ছোটেন ভারতীয় পড়ুয়ারা জানেন…? চমকাবেন শুনলেই!
এরপরে দুপুরেই একটি পোস্টে তাঁদের টেলিফোনিক কথোপকথনের কোথাও শেয়ার করেন মোদি। এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্টে প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, “তারেক রহমানের সঙ্গে কথা বলতে পেরে আনন্দিত। বাংলাদেশের নির্বাচনে অসাধারণ জয়ের জন্য আমি তাঁকে অভিনন্দন জানাই। বাংলাদেশের জনগণের আকাঙ্ক্ষা পূরণে তাঁর আন্তরিক প্রচেষ্টায় আমি আমার শুভেচ্ছা জানাই। একইসঙ্গে খালেদা-পুত্রকে আগামী দিনে সবরকম সমর্থনের বার্তাও দেন প্রধানমন্ত্রী মোদি।
উল্লেখ্য, শুক্রবার সকালেই প্রতিবেশী দেশের ভাবী প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে এক্স হ্যান্ডলে মোদি জানান, ‘বাংলাদেশে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফলে বিএনপি দেশের নির্ণায়ক শক্তির পথে এগিয়েছে। এর জন্য তারেক রহমানকে আমার তরফে উষ্ণ অভিনন্দন। আপনার জয়েই স্পষ্ট যে বাংলাদেশবাসী আপনার নেতৃত্বে আস্থা রাখছেন। বাংলাদেশের গণতন্ত্র, উন্নয়নশীলতার পক্ষে ভারত রয়েছে। আশা করি, আগামী দিনে আপনার নেতৃ্ত্বাধীন বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক আরও এগিয়ে যাবে। যে বহুবিধ বিষয়ে আমাদের পারস্পরিক সম্পর্ক রয়েছে, তা উভয়ের স্বার্থে কার্যকরী হবে।”
প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালে সংরক্ষণ বিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও পরবর্তী টালমাটাল পরিস্থিতিতে হাসিনা সরকারের পতন হওয়ার পর থেকেই রাজধানী দিল্লিতেই ‘আশ্রয়ে’ রয়েছেন আওয়ামি লিগ নেত্রী শেখ হাসিনা। বাংলাদেশে গণহত্যা মামলায় তাঁকে ফাঁসির সাজা শুনিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ দমন আদালত। গত কয়েকমাসে বাংলাদেশে নির্বাচনী আবহে দিল্লি থেকে নানা রাজনৈতিক বার্তা দিয়েছেন হাসিনা। এসবের পর নির্বাচনে বিএনপি-র জয়ে মোদির বার্তা তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে কূটনৈতিক মহল।
