বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে অর্থ থেকে কৃষি, বিমান থেকে জাহাজ, সড়ক পরিবহণ, সমবায়, পরিবেশ, নতুন ও পুনর্ব্যবহার যোগ্য শক্তি, বাণিজ্যের মত কেন্দ্র সরকারের ১০টি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রকে যুগ্ম-সচিব পদে বেসরকারি ক্ষেত্রের উপযুক্ত অভিজ্ঞতা সম্পন্ন পেশাদারদের নিযুক্ত করা হবে। আবেদনের জন্য ২০১৮ সালের পয়লা জুলাই বয়স হতে হবে ৪০ বছর এবং সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে থাকতে হবে ন্যূনতম ১৫ বছরের অভিজ্ঞতা। এছাড়া স্বীকৃতিপ্রাপ্ত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অন্তত স্নাতক ডিগ্রি থাকা আবশ্যক। চাকরির মেয়াদ হবে চুক্তিভিত্তিক। প্রথমে ৩ বছরের জন্য, পরে যোগ্যতার ভিত্তিতে ৫ বছর অবধি চুক্তির মেয়াদ বাড়ানো হতে পারবে।
advertisement
উল্লেখ্য, এই পদগুলি বরাবরই আইএএস অফিসারদের জন্যই নির্দিষ্ট থাকত। অর্থাত ইউপিএসসি পরীক্ষা না দিয়েও এবার আইএএস অফিসারের সমকক্ষ পদে কাজের সুযোগ মিলবে। সঙ্গে মিলবে একজন আইএএস অফিসারের সমতুল্য বেতন।
আরও পড়ুন
প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী প্রণব ? জল্পনা ওড়ালেন প্রণব কন্যা
এহেন পদক্ষেপের পিছনে যুক্তি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী দফতরের প্রতিমন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং জানিয়েছেন, প্রশাসনে যোগ্য অফিসারদের অভাব মেটাতেই কেন্দ্রের এহেন সিদ্ধান্ত। সরকারের কাজে নয়া দৃষ্টিভঙ্গি ও গতি আনতে এমন সিদ্ধান্ত বলেই মত মোদি সরকারের। কর্মী দফতরের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী বর্তমানে প্রশাসনে প্রায় দেড় হাজার আইএএস অফিসারের পদ শূন্য।
এই বিজ্ঞপ্তি সামনে আসতেই ছড়িয়েছে ব্যাপক চাঞ্চল্য। মোদি সরকারের এমন সিদ্ধান্তে আইএএস-দের সিংহভাগই ক্ষুব্ধ। আইএএস অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন এই সিদ্ধান্তে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে এবং জানিয়েছে তারা শীঘ্রই আলোচনায় বসবে।
অন্যদিকে, সরকারের এমন সিদ্ধান্তে তীব্র সমালোচনার ঝড় তুলেছেন বিরোধীরা। বিরোধী দলগুলির মতে, সরকার বিজেপি ও আরএসএস কর্মীদের প্রশাসনে ঢুকিয়ে আইএএস পদ ভরাতেই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যোগ্য বেসরকারি কর্মীদের নিয়োগ শুধুমাত্রই বাহানা। এই সরকারি সার্কুলারের তীব্র বিরোধীতা করে আরজেডি তেজস্বী যাদব মন্তব্য করেছেন, মোদি সরকারের যা অবস্থা তাতে দুদিন বাদে বিজেপি তো বিনা ভোটে প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার সদস্যদের নিয়োগ করতে চাইবে।
