সূত্রের খবর, নৈশভোজ-সহ একটি সান্ধ্য বৈঠকে আন্তর্জাতিক রাজনীতি, নারীর নেতৃত্ব, শিক্ষা ও সামাজিক উন্নয়ন নিয়ে বিস্তৃত আলোচনা হয়। ভারত-মার্কিন সম্পর্কের বিবর্তন, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের ক্ষেত্রেও সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়ে মতবিনিময় হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সাংস্কৃতিক পর্বে ভারতীয় শিল্প ও নৃত্যসংস্কৃতির উপস্থাপনাও ছিল, যেখানে অতিথিরা ভারতের ঐতিহ্য ও সমকালীন সৃজনশীলতার মেলবন্ধন প্রত্যক্ষ করেন।
advertisement
উল্লেখ্য, নীতা আম্বানি দীর্ঘদিন ধরেই শিক্ষা, ক্রীড়া ও সংস্কৃতির প্রসারে নানা উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত। অন্যদিকে হিলারি ক্লিন্টনও আন্তর্জাতিক মঞ্চে নারী-অধিকার, গণতন্ত্র ও নীতি-নির্ধারণে সক্রিয় ভূমিকার জন্য পরিচিত। এই সৌজন্য সাক্ষাৎকে দুই দেশের মানুষের মধ্যে সম্পর্ক আরও গভীর করার এক প্রতীকী মুহূর্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে।
এদিকে, ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬-এ চাঁদের হাট। আম্বানিদের আয়োজিত এই প্রযুক্তি যজ্ঞে প্রথম দিনে এসেছিলেন প্রধান মন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এসেছেন বহু আন্তর্জাতিক ব্যক্তিত্ব। এখানে ভাষণ দিতে গিয়ে স্ট্র্যাটেজিক ফোর্সেস কমান্ডের কমান্ডার-ইন-চিফ লেফটেন্যান্ট জেনারেল ডিএস রানা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কীভাবে বৈশ্বিক নিরাপত্তা স্থাপত্যকে মৌলিকভাবে পরিবর্তন করছে তার একটি গভীর বিশ্লেষণ প্রদান করেছেন।
বর্তমান প্রযুক্তিগত পরিবর্তন এবং পারমাণবিক যুগের মধ্যে সাদৃশ্য টেনে জেনারেল রানা পর্যবেক্ষণ করেন যে এআই একটি সভ্যতার পরিবর্তনের বিন্দুতে পৌঁছেছে যেখানে এটি একটি শক্তিশালী শক্তির গুণক হিসেবে কাজ করে। তিনি সতর্ক করে দিয়েছিলেন যে, এআই-এর “অসাধারণ শক্তি” সম্ভাব্যভাবে “এআই ব্রঙ্কম্যানশিপ” বা ব্ল্যাকমেইলের জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে, যা পারমাণবিক ক্ষেত্রে দেখা ঐতিহাসিক নিদর্শনগুলির অনুরূপ, বিশেষ করে প্রযুক্তিগতভাবে উন্নত দেশগুলি দুর্বল প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে।
