গত তিন দিন ধরে এনআইএ-র বিভিন্ন দল রামপুর জেলাজুড়ে ক্যাম্প করে তল্লাশি চালাচ্ছিল। বিস্ফোরণে উড়ে যাওয়া গাড়ির চালক চিকিৎসক উমর নবির মোবাইলের সূত্র ধরেই এই দুই অভিযুক্তের খোঁজ পান তদন্তকারীরা। কল রেকর্ড থেকে জানা যায়, উমর নবির ফোন থেকে রামপুরে যোগাযোগ করা হয়েছে। তদন্তকারীদের মনের সন্দেহ হয়, হয়তো বা তারাই নবির সহযোগী। সেই সূত্র ধরেই শুক্রবার রাতে দিল্লি পুলিশ এবং উত্তরাখণ্ডের স্থানীয় পুলিশের সহযোগিতায় হলদওয়ানিতে হানা দেন এনআইএ আধিকারিকেরা। ওই অভিযানেই গ্রেফতার করা হয় আসিফ এবং কামালকে। শনিবার তাদের দিল্লিতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, আসিফের সহযোগী হিসাবে কাজ করত কামাল।
advertisement
মহম্মদ আসিফের পরিবার জানিয়েছে, প্রায় ১৫ বছর আগে হালদওয়ানিতে চলে যায় আসিফ। চলতি বছরের জানুয়ারিতে দাদিয়ালে এসেছিল। পরিবার সূত্রে জানা যায়, চার ভাইয়ের মধ্যে সে দ্বিতীয়। ওই মোবাইলের কল ডিটেল থেকে হলদওয়ানি এলাকায় সন্দেহজনক কিছু তথ্য তদন্তকারীদের হাতে আসে।
