আরও পড়ুন– সামান্য বাড়ল তাপমাত্রা, উত্তরে কুয়াশার দাপট, ফের কি পারদ নামবে? জেনে নিন পূর্বাভাস
১৯৮৪ সালে কুমারগঞ্জে এক স্কুলের হেড মাস্টারমশাই খুনের ঘটনায় উত্তাল হয় রাজ্য রাজনীতি। যুব কংগ্রেসের তরফে সেই সময় দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় আন্দোলন করা হয়েছিল। সেই আন্দোলনে একাধিক যুব কংগ্রেস কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়। সেই সময় আদালতে সওয়াল করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এক সময় রাজ্য মন্ত্রীসভায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শঙ্কর চক্রবর্তী সেদিনের ঘটনা প্রসঙ্গে বলেন, ‘‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আদালতে আমাকে মুভ করতে বলেন। তারপর তিনি নিজে আমার সঙ্গে আদালতে যান। আমাকে বলেন, শঙ্কর দা আমাকে একটা কালো গাউন এনে দিন । আমি খানিকটা অবাক হয়েছিলাম। তারপর তিনি আমাকে বলেন, উনি আইনজীবী হিসাবে ডিগ্রি অর্জন করেছেন। এরপর আদালতে জোর সওয়াল শুরু করেন আইনজীবী শঙ্কর চক্রবর্তীকে নিয়ে। শেষমেষ আদালত গ্রেফতার হওয়া যুব কংগ্রেস কর্মীদের জামিন দেয়।’’
advertisement
আরও পড়ুন– বাজেট ২০২৬, মদের দাম নিয়ে চাপানউতোর, সাফ প্রতিক্রিয়া ‘আমরা মদ্য খাওয়া বন্ধ করব না’
অপর একটি ঘটনা নিয়েও জোরদার আলোচনা হয়। ১৯৯৩ সালের ২১ জুলাইয়ের ঘটনাকে কেন্দ্র ৪০ জন যুব কংগ্রেস কর্মীকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে গ্রেফতার করার অভিযোগ ওঠে। সেই মামলায় ১৯৯৬ সালে ৯ জুলাই ব্যাঙ্কশাল কোর্টের ৬ নম্বর চিফ জ্যুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের এজলাসে সওয়াল করতে যান মমতা। যোগেশচন্দ্র চৌধুরী ল কলেজ থেকে আইন পাশ করেন মমতা বন্দোপাধ্যায়।
আজ, বুধবার শুনানির আগে থেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড় তুলে দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস । দলের প্রায় সমস্ত সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেল থেকে একটি গ্রাফিক্স ইমেজ পোস্ট করা হয়েছে। তাতে দেখা যাচ্ছে, কালো রোব পরে সুপ্রিম কোর্টের সিঁড়ি বেড়ে উঠছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নীচে লেখা, ‘সুপ্রিম কোর্টে এসআইআর-কে চ্যালেঞ্জ করবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়’।
