বিজাপুর জেলার বাসাগুড়া থানার আওতাধীন গাগানপল্লি গ্রামের কাছে জঙ্গলে সংঘর্ষের পর দুই মাওবাদীর দেহ উদ্ধার হয়েছে। নিহতদের মধ্যে হুঙ্গা মাডকমের নাম রয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে একটি এসএলআর ও একটি ১২-বোর রাইফেল উদ্ধার হয়েছে। এই নিয়ে চলমান দুই অভিযানে মোট নিহত মাওবাদীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১৪—এর মধ্যে সুকমায় ১২ জন এবং বিজাপুরে ২ জন।
advertisement
‘জানুয়ারি গেলে সুর নরম হবে লালু ,কেজরিওয়াল এখন সব ইতিহাস’! অভিষেকের মন্তব্যে পাল্টা দিলেন দিলীপ!
বন্দে ভারত স্লিপার কোন কোন জেলার উপর দিয়ে যাবে? কত ভাড়া? পশ্চিমবঙ্গের রেল পরিকাঠামোয় বড় সংযোজন
শুক্রবার গভীর রাতে সুকমার কিস্টারাম থানার আওতায় পালোডি ও পোটকপল্লি এলাকা থেকে ডিস্ট্রিক্ট রিজার্ভ গার্ড (ডিআরজি) সুকমা এই অভিযান শুরু করে। সংঘর্ষস্থল থেকে একাধিক স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র—একে-৪৭ ও ইনসাস রাইফেল—উদ্ধার হয়েছে বলে জানিয়েছেন কর্তৃপক্ষ। আধিকারিকদের মতে, পুরো অভিযানটি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেছেন সুকমার পুলিশ সুপার কিরণ চাভান। বিস্তারিত তথ্য এখনও সংগ্রহ করা হচ্ছে।
এর আগে দিনভর বিজাপুর জেলায় নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে পৃথক আরেকটি সংঘর্ষে দু’জন মাওবাদী নিহত হয়। নির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ডিআরজি দল দক্ষিণ বিজাপুরের জঙ্গল এলাকায় মাওবাদী-বিরোধী অভিযান শুরু করলে ভোর প্রায় ৫টা নাগাদ গুলির লড়াই শুরু হয়। ঘটনাস্থল থেকে দু’জন মাওবাদীর দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আধিকারিকরা জানান, ওই এলাকায় মাঝেমধ্যে গুলির লড়াই চলছিল এবং আরও তথ্যের অপেক্ষা করা হচ্ছে।
