২০২৩ সালের ১২ ডিসেম্বর চণ্ডীগড়ের একটি রেস্তোরাঁয় খাওয়াদাওয়া সারতে যান ওই মহিলা৷ খাবারের সঙ্গে একটি জলের বোতল কেনেন তিনি৷ বিল মেটাতে গিয়ে ওই মহিলা দেখেন, জলের বোতলের গায়ে সর্বোচ্চ বিক্রয় মূল্য ২০ টাকা দাম লেখা থাকলেও ওই রেস্তোরাঁয় জলের দাম বাবদ ৫৫ টাকা ধরা হয়েছে৷
দ্য ইকোনমিক টাইমস-এ প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, জলের বোতলের এই অতিরিক্ত দাম নেওয়ার প্রতিবাদ করে জেলা ক্রেতা সুরক্ষা কমিশনে অভিযোগ দায়ের করেন ওই মহিলা৷ প্রথমে জেলা ক্রেতা সুরক্ষা কমিশন মহিলার অভিযোগ খারিজ করে দেয়৷ সেই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে রাজ্য ক্রেতা সুরক্ষা কমিশনে অভিযোগ দায়ের করেন ওই মহিলা৷
advertisement
শুনানিতে ওই রেস্তোরাঁর আইনজীবী দাবি করেন, এয়ার কন্ডিশন চালানোর খরচ, সামগ্রিক পরিবেশ, বসার জায়গা এবং পরিষেবা প্রদানের খরচ বাবদ জলের বোতলের অতিরিক্ত দাম নেওয়া হয়েছে৷ যদিও রেস্তোরাঁ কর্তৃপক্ষের এই যুক্তি খারিজ করে দেয় রাজ্য ক্রেতা সুরক্ষা কমিশন৷
রায় দিতে গিয়ে কমিশন স্পষ্ট জানায়, নিজস্ব খাবারের দাম ইচ্ছেমতো নির্ধারণ করতে পারলেও জলের বোতলের মতো আগে থেকে প্যাকেটজাত পণ্যের ক্ষেত্রে ইচ্ছে মতো দাম নির্ধারণ করতে পারে না কোনও রেস্তোরাঁ৷ কমিশন আরও জানিয়ে দেয়, কোনও প্যাকেটজাত পণ্যের গায়ে লেখা থাকা সর্বোচ্চ বিক্রয় মূল্যের মধ্যে বিক্রেতার লভ্যাংশ সহ যাবতীয় খরচ ধরা থাকে৷ ফলে এমআরপি-র থেকেও বেশি দামে কোনও পণ্য বিক্রি করা আইন বিরুদ্ধ বলে জানিয়ে দেয় কমিশন৷
মহিলার অভিযোগকে মান্যতা দিয়ে জলের বোতলের দাম বাবদ নেওয়া অতিরিক্ত ২৫ টাকা ফেরত দেওয়ার পাশাপাশি মানসিক হয়রানির ক্ষতিপূরণ বাবদ ওই রেস্তোরাঁকে ৩০০০ টাকা জরিমানা করা হয়৷
