জানা গিয়েছে, বালেশ্বরের বাস্তা পুলিশ স্টেশনের অধীনে দারাগা গ্রামের বাসিন্দা সলিল নায়েক মঙ্গলবার ক্ষেতে যাচ্ছিলেন। সদ্য বন্যায় ক্ষেতের কী অবস্থা, তাই খতিয়ে দেখতে ক্ষেতে যাচ্ছিলেন সলিল। সেই সময় তাঁর বা- পায়ে একটি গোখরো ছোবল মারে। এতে বেজায় ক্ষেপে যান সলিল। নিজের কমাড়ের ব্যথা ভুলে হন্যে হয়ে সাপটিকে খুঁজে বের করেন এবং পাকড়াও করেন। এরপরের ঘটনা শুনলে সিউড়ে উঠতে হয়। সাপটিকে এলোপাথারি কমাড়াতে থাকেন সলিল, যতক্ষণ না পর্যন্ত সাপটির মৃত্যু হয়।
advertisement
আরও পড়ুন: লালবাগের রাজার দরবারে সপরিবারে মুকেশ আম্বানি
এখানেই শেষ নয়! মৃত সাপটিকে গলায় জড়িয়ে গ্রামের দারাদা বাজারে হাজির হন সলিল। বলা বাহুল্য, সলিলের গলায় জড়ানো সাপ দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন গ্রামবাসীরা। গোটা ঘটনা শুনে তাঁরা সকলেই সলিলকে পরামর্শ দেন হাসপাতালে যেতে। কিন্তু পালটা সলিল দাবি করেন, তিনি মন্ত্র জানেন। আর সেই মন্ত্র পড়েই বিষ শরীর থেকে ঝেড়ে ফেলেছেন। এরপর গ্রামবাসীরা জেলা বনাধিকারিকের সঙ্গে যোগাযোগ করে গোটা ঘটনাটি জানান।
জেলা বনাধিকারিক আয়ুষ জৈন জৈানান, দারাদা গ্রামে এক ব্যক্তিকে গোখরো কামড়ানোর খবর পেয়ে সেখানে কর্মীদের পাঠানো হয়। সলিলকে একদিন ধরে রাখা হয়, বুধবার তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তাঁকে সাবধান করা হয়েছে, ভবিষ্যতে এরকম গর্হিত কাজ যেন আর না করে। জৈন বলেন, “সলিল শারীরিক ভাবে সুস্থ থাকলেও মানসিক ভাবে অসুস্থ। তাঁর পরিবারকে সলিলের খেয়াল রাখতে বলা হয়েছে।”
