তিনি বলেন, “আমরা আশা করি অন্য গণতান্ত্রিক দেশের জনপ্রতিনিধিরা ভিন দেশের বিচার বিভাগের স্বাধীনতার প্রতি শ্রদ্ধাশীল হবেন। কোনও গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন ব্যক্তিদের ব্যক্তিগত পক্ষপাত প্রকাশ করা শোভনীয় নয়। এই ধরনের মন্তব্য না করে তাঁদের উপর অর্পিত দায়িত্বের উপর মনোনিবেশ করা ভাল।”
গত পাঁচ বছরেরও বেশি সময় ধরে বন্দি প্রাক্তন ছাত্রনেতার উদ্দেশ্যে বিশেষ বার্তা দিয়েছিলেন সদ্য নির্বাচিত নিউ ইয়র্কের প্রথম মুসলিম মেয়র জোহরান মামদানি। দিল্লির জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তনী উমর খালিদ ২০২০ সাল থেকে জেলে। নিউ ইয়র্কের মেয়র পদে আনুষ্ঠানিক শপথ নেওয়ার পরে উমরকে লেখা তাঁর সংক্ষিপ্ত চিঠি প্রকাশ্যে আসে। সেই চিঠিতে মামদানি লিখেছিলেন, ‘‘প্রিয় উমর, তিক্ততা নিয়ে তোমার কথাগুলো আমার প্রায়ই মনে পড়ে। তুমি বলতে, তিক্ততা যেন কখনও নিজের সত্তাকে গ্রাস করে না-ফেলে, তা খুব গুরুত্বপূর্ণ। তোমার বাবা-মায়ের সঙ্গে দেখা করে ভাল লেগেছে। আমরা সকলে তোমার কথা ভাবছি।’’
advertisement
পাঁচ বছর ধরে জেলবন্দি৷ গত সোমবার মুক্তির আরেকটা দরজাও বন্ধ হয়ে যায় জওহরলাল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র তথা আন্দোলনকারী উমর খালিদের৷ দিল্লি হিংসা মামলায় অভিযুক্ত বাকি ৫ জনের জামিন মঞ্জুর হলেও জামিন খারিজ হয় উমর খালিদ ও শারজিল ইমামের জামিনের আবেদন৷ তারপরে সামনে আসে উমর খালিদের প্রথম প্রতিক্রিয়া৷ সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পরে উমর খালিদের সঙ্গে নিজের সংক্ষিপ্ত কথপোকথন সোশ্যাল মিডিয়া ‘X’ -এ পোস্ট করেন তাঁর পার্টনার বনজ্যোৎস্না লাহিড়ী৷ উমর বলেছিলেন, ‘‘যাঁরা জামিন পেল তাঁদের জন্য আমি সত্যিই খুব খুশি৷ খুব স্বস্তি পেয়েছি৷’’ তখন বনজ্যোৎস্না তাঁকে বলেন, ‘‘আমি কাল দেখা করতে যাব (তিহার জেলে, যেখানে উমর খালিদ বর্তমানে বন্দি)’’৷ উত্তরে উমর জানন, ‘‘ভাল ভাল, চলে এসো৷ এখন তো এটা (আমার) জীবন৷’’
