বুধবার বেঙ্গালুরুর এই ঘটনার ভিডিও ইতিমধ্যেই ছড়িয়ে পড়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। বেঙ্গালুরু মেট্রোপলিটান ট্রান্সপোর্ট কর্পোরেশন (বিএমটিসি)-র বাস নিয়ে বেরিয়েছিলেন চালক। বুধবার সকাল ১১টা নাগাদ নেলানঙ্গলা থেকে দাসানাপুরার পথে যাওয়ার পথে গাড়ি চালাতে চালাতেই আমচকা হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে তাঁর। চল্লিশ বছর বয়সী ওই বাস চালকের নাম কিরণ কুমার।
আরও পড়ুন-ভয়ঙ্কর দুঃসময় শুরু…! শুক্রের গোচরে ৩ রাশির চরম আর্থিক সঙ্কট, অশুভ প্রভাবে জীবন ছারখার!
advertisement
বাসের সিসিটিভি ফুটেজে ধরা পড়েছে গোটা ঘটনা। স্টিয়ারিং হুইলে বসে থাকাকালীনই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে লুটিয়ে পড়তে দেখা যায় কিরণ কুমারকে। চালকহীন ভাবেই ছুটে চলতে থাকে বাসটি। এদিকে বিপদ আঁচ করে চালকের আসনে ঝাঁপিয়ে পড়েন কন্টাক্টর অবলেশ। তিনি স্টিয়ারিংয়ের নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে নেন। এরপর কোনওমতে বাসটিকে থামিয়ে দেন। এরপরে কিরণ কুমারের অবস্থা বুঝে তাঁকে নিয়ে নিকটবর্তী হাসপাতালে ছোটেন অবলেশ। যদিও হাসপাতালে পৌঁছনোর পরে চিকিৎসকরা জানিয়ে দেন যে, হার্ট অ্যাটাকেই মৃত্যু হয়েছে বাসচালক কিরণ কুমারের।
আরও পড়ুন- রমরমিয়ে ভাড়াবাড়িতে চলছিল মধুচক্রের আসর, পুলিশ হানা দিতেই যা দেখল…! শুনলে শিউরে উঠবেন
বিএমটিসি আধিকারিকরা আরও জানিয়েছেন যে, কর্তব্যরত অবস্থাতেই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে কিরণ কুমারের। দিনের শেষ ট্রিপে তিনি রুট ২৫৬/১-এ এম কেএ ৫৭ এফ-৪০০৭ নম্বর সম্বলিত বাসটি চালাচ্ছিলেন। বিএমটিসি-র তরফে একটি বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, “গভীর দুঃখের সঙ্গে আমরা ঘোষণা করছি যে, কিরণ কুমারের অকাল মৃত্যু হয়েছে। তিনি ৪০ নম্বর ডিপোর চালক ছিলেন। ৬ নভেম্বর আচমকাই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে তাঁর। কিরণ কুমারের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেছে ব্যাঙ্গালোর মেট্রোপলিটান ট্রান্সপোর্ট কর্পোরেশন (বিএমটিসি)।” সেই বিবৃতিতে আরও জানানো হয়েছে যে, “কিরণ কুমারের আত্মার শান্তির কামনায় প্রার্থনা করছে কর্পোরেশন। বিএমটিসি-র সিনিয়র আধিকারিকরা মৃতের পরিবারের সঙ্গে দেখা করেছেন। গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেছেন। সেই সঙ্গে মৃত কিরণ কুমারের শেষকৃত্য সম্পন্ন করার জন্য এক্স-গ্রাসিয়া দিয়ে সাহায্য করার আশ্বাসও দেওয়া হয়েছে।”
