মৃত যুবকের নাম মহম্মদ তৌহিদ, তিনি হারদৌই জেলার বাসিন্দা। ২৪ মার্চ রাতে স্যাটেলাইট বাস টার্মিনালে বাস ধরতে এসে দুর্ঘটনার শিকার হন তিনি। রাত সাড়ে ৯টা নাগাদ একটি খোলা নালার ধারে বসে থাকার সময় হঠাৎই তাতে পড়ে যান বলে সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গিয়েছে।
‘ধন্যবাদ ভারতবাসী’ ইরানের মিসাইলে কেন লেখা? ইজরায়েলের ওপর ৮৩তম দফার হামলা তেহরানের
advertisement
জানা গিয়েছে, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজের জন্য নালার একটি অংশ খোলা রাখা হয়েছিল। পড়ে যাওয়ার পর আশপাশের লোকজন তাঁকে উদ্ধার করার চেষ্টা করলেও প্রবল স্রোতে ভেসে যান তিনি।
সেই রাতেই উদ্ধারকাজ শুরু হলেও নালার গভীরতা (প্রায় ১৫ ফুট), জমে থাকা আবর্জনা এবং জলের তীব্র স্রোতের কারণে কাজ ব্যাহত হয়। পরদিন ২৫ মার্চ জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী (এনডিআরএফ) এবং রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা দল (এসডিআরএফ)-এর সদস্যরা উদ্ধার অভিযানে যোগ দেন। প্রায় ৮০ জন কর্মী, সাকশন পাম্প, ক্রেনসহ একাধিক ভারী যন্ত্র ব্যবহার করা হয়।
অবশেষে প্রায় ৩০ ঘণ্টা পর, ২৬ মার্চ ভোরে নালার ভেতর কাদার স্তূপের নীচ থেকে উদ্ধার হয় তাঁর দেহ। পকেটে থাকা আধার কার্ড দেখে তাঁর পরিচয় নিশ্চিত করা হয়।
স্থানীয়দের দাবি, গত বছর পরিষ্কার করার সময় নালার ঢাকনা ভেঙে গিয়েছিল এবং তারপর থেকে সেটি খোলাই পড়ে ছিল। পরিবহণ দফতরের তরফে পুরসভাকে বিষয়টি জানানো হলেও কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ।
ঘটনার পর সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন বহু মানুষ। নিকাশি ব্যবস্থার অব্যবস্থা, বিষাক্ত বর্জ্য এবং নিরাপত্তাহীনতার বিষয়টি সামনে এনে দ্রুত পদক্ষেপের দাবি তুলেছেন তাঁরা।
বরেলি পুলিশ জানিয়েছে, মৃতদেহের পঞ্চনামা তৈরি করে ময়নাতদন্তের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এই ঘটনায় প্রশাসনিক গাফিলতি নিয়ে প্রশ্ন উঠছে, এবং দায় নির্ধারণের দাবি জোরালো হচ্ছে।
