মঙ্গলবার পরিকাঠামো বিষয়ক ক্যাবিনেট কমিটির বৈঠকে যোগ দিতে মুম্বইয়ে ছিলেন অজিত পওয়ার৷ বুধবার সকালে চার্টার্ড বিমানে নিজের নির্বাচনী কেন্দ্র বারামতীর উদ্দেশ্যে রওনা দেন তিনি৷ পওয়ারের সঙ্গে ছিলেন তাঁর ব্যক্তিগত নিরাপত্তা রক্ষী এবং একজন সহায়ক৷ এ ছাড়াও পাইলট সহ দুই বিমানকর্মী ছিলেন ওই চার্টার্ড বিমানে৷ কিন্তু বারামতী পৌঁছনোর আগেই সকাল ৮.৪৫ মিনিট নাগাদ ঘন কুয়াশার মধ্যে পার্বত্য এলাকায় ভেঙে পড়ে ওই চার্টার্ড বিমানটি৷ মাটিতে আছড়ে পড়ার পরই প্রবল বিস্ফোরণে বিমানটিতে আগুন ধরে যায়৷
advertisement
১৯৫৯ সালের ২২ জুলাই জন্মগ্রহণ করেন অজিত পওয়ার৷ মহারাষ্ট্রের রাজনীতিতে তিনি অজিত দাদা নামেই পরিচিত ছিলেন৷ বারামতীর দাদাও বলা হত তাঁকে৷ কারণ একেবারে নিচুতলার রাজনৈতিক কর্মী এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিবিড় যোগ ছিল তাঁর৷ মহারাষ্ট্রের মানুষের জন্য রাজ্য এবং সর্বভারতীয় স্তরে বিভিন্ন ইস্যুতে ক্রমাগত লড়াই করে গিয়েছেন অজিত পওয়ার৷
বারামতীর রাজনীতিতে বরাবরই দাপট ছিল অজিত পওয়ারের৷ ১৯৯১ সালে প্রথমবার বারামতীর সাংসদ নির্বাচিত হয়েছিলেন অজিত পওয়ার৷ এর পর ২০২৪ সাল পর্যন্ত টানা আট বার বারামতীর বিধায়ক নির্বাচিত হয়েছেন তিনি৷ এমন কি, কাকা শরদ পওয়ারের সঙ্গে মতবিরোধের জেরে এনসিপি দু ভাগ হয়ে গেলেও বারামতীতে অজিতের দাপট কমেনি৷ ২০২৪ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি এবং একনাথ শিন্ডের শিবসেনার সঙ্গে জোট বেঁধে লড়ে ৪১টি আসনে জয়ী হয়েছিল অজিত পাওয়ারের এনসিপি৷
সম্প্রতি মহারাষ্ট্রের পুরভোটের আগে অবশ্য ফের কাছাকাছি এসেছিলেন অজিত এবং শরদ৷ একজোট হয়ে পুণে এবং পিম্প্রি চিনছওয়াড় পুরসভায় লড়াই করেছিল অজিত এবং শরদপন্থী এনসিপি৷ তার পর পরই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল অজিত পাওয়ারের৷ স্ত্রী সুনেত্রা এবং দুই পুত্র পার্থ এবং জয়কে রেখে গেলেন অজিত পাওয়ার৷
