ঝাড়খণ্ডের রাঁচি থেকে দিল্লি যাওয়ার পথে দুর্ঘটনার কবলে পড়ল এয়ার অ্যাম্বুলেন্স। ডিরেক্টরেট জেনারেল অব সিভিল এভিয়েশন-এর তরফে জানানো হয়েছে, সোমবার সন্ধেয় রাঁচি বিমানবন্দর থেকে ওড়ার কিছুক্ষণ পরেই চাতরা জেলার সিমারিয়া থানা এলাকার করমাটান্ড গ্রামের কাছে একটি ঘন জঙ্গলে বিমানটি ভেঙে পড়ে।
দুর্ঘটনার সময় বিমানে চালক ও রোগী-সহ মোট সাতজন যাত্রী ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। তাদের মধ্যে একজনের মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে খবর পাওয়া গিয়েছে।
advertisement
(ডিজিসিএ) জানিয়েছে, দুর্ঘটনাস্থলে অনুসন্ধান ও উদ্ধারকারী দল পৌঁছেছে এবং তদন্তের জন্য এএআইবি-র একটি দল পাঠানো হচ্ছে।কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিমানটি নিয়মিতভাবে রাঁচি বিমানবন্দর থেকে মেডিক্যাল ইভাকুয়েশন ফ্লাইট পরিচালনা করত। এটি রাঁচিতে Redbird Airways-এর পরিচালিত দুটি এয়ার অ্যাম্বুল্যান্সের একটি ছিল, অন্যটি হলো VT-RAM।
বিমানটিতে রোগী সঞ্জয় কুমার ছিলেন, সঙ্গে ছিলেন ফ্লাইট ক্রু—ক্যাপ্টেন বিবেক বিকাশ ভগত এবং সাভরাজদীপ সিং। এছাড়া রোগীর পরিবারের সদস্য হিসেবে আরও চারজন আরোহী ছিলেন: অর্চনা দেবী, ধুরু কুমার, বিকাশ গুপ্ত এবং সচিন মিশ্র।
আরও পড়ুন- ‘গভীরভাবে শোকাহত’! মুকুল রায়ের প্রয়াণে শোকপ্রকাশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের
বিমানটি সন্ধে ১৯:১১ মিনিটে রাঁচি থেকে উড়েছিল এবং ১৯:৩৪ মিনিটে আটালি এলাকার কাছে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। ওড়ার পর পরবর্তী এয়ার ট্র্যাফিক কন্ট্রোল (এটিসি) স্টেশনের সঙ্গে প্রাথমিক যোগাযোগ স্থাপন করা হয়েছিল, এর পর নিয়ম অনুযায়ী নিয়ন্ত্রণ হস্তান্তর করা হয়। তবে পরে যোগাযোগ সম্পূর্ণভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এবং বিমানটি আর রাঁচি বিমানবন্দরের সঙ্গে পুনরায় যোগাযোগ স্থাপন করতে পারেনি। বারাণসীর এয়ার ট্র্যাফিক কন্ট্রোল রেকর্ড (VEBN) অনুযায়ী, নির্ধারিত হ্যান্ডওভারের পর বিমানটি আর কোনো যোগাযোগ স্থাপন করেনি।
