এই পরীক্ষা পরিচালিত হয়েছে স্ট্র্যাটেজিক ফোর্সেস কমান্ড–এর তত্ত্বাবধানে, যারা দেশের কৌশলগত পারমাণবিক সম্পদের দায়িত্বে রয়েছেন। অগ্নি-৩ একটি পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম ইন্টারমিডিয়েট-রেঞ্জ ব্যালিস্টিক মিসাইল। এর আঘাত হানার ক্ষমতা প্রায় ৩,০০০ থেকে ৩,৫০০ কিলোমিটার। প্রতিরক্ষা আধিকারিকদের মতে, এই সফল পরীক্ষার মাধ্যমে ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার নির্ভরযোগ্যতা ও প্রস্তুতির বিষয়টি আরও একবার প্রমাণিত হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে অগ্নি সিরিজের অন্যান্য ক্ষেপণাস্ত্র, এমনকি উন্নত সংস্করণগুলিরও পরীক্ষা চালানো হলেও, অগ্নি-৩ এখনও ভারতের প্রতিরোধ ক্ষমতার একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ। এই মিসাইল একটি টু-স্টেজ ব্যবস্থা, যা সলিড ফুয়েল দ্বারা চালিত। প্রথম ধাপের জ্বালানি পোড়া শেষ হলে দ্বিতীয় ধাপ সক্রিয় হয় এবং ক্ষেপণাস্ত্রটিকে নির্ধারিত লক্ষ্যবস্তুর দিকে আরও এগিয়ে নিয়ে যায়।
advertisement
গতবছর জুলাই মাসে অগ্নি-১, পৃথ্বী-২ এবং আকাশ প্রাইম এই তিন ভয়ঙ্কর ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা করে ভারত। চাঁদিপুর থেকে পৃথ্বী-২ ও অগ্নি-১-এর সফল উৎক্ষেপণ হয়। ওড়িশার চাঁদিপুরে ইন্টিগ্রেটেড টেস্ট রেঞ্জ (ITR) থেকে পৃথ্বী-২ এবং অগ্নি-১ ক্ষেপণাস্ত্র ছোঁড়া হয়। দু’টিই ছোট দূরত্বের ব্যালিস্টিক মিসাইল এবং পরীক্ষাগুলি পরিচালিত হয় স্ট্র্যাটেজিক ফোর্সেস কমান্ড (SFC)-এর তত্ত্বাবধানে। লাদাখের প্রায় ১৫ হাজার ফুট উচ্চতায় সফলভাবে পরীক্ষিত হয়েছে আকাশ প্রাইম বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। এই সিস্টেমটি সম্পূর্ণভাবে ভারতেই তৈরি করেছে DRDO এবং এটি আকাশ রেজিমেন্টের তৃতীয় ও চতুর্থ ইউনিটে যুক্ত করা হবে।
