পুলিশ সূত্রে খবর, ১৯৮৭ সালে দাদাকে খুনের অভিযোগ ওঠে প্রদীপের বিরুদ্ধে। ১৯৮৯ সালে তিনি দোষী সাব্যস্ত হন। প্রদীপের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়। জেলবন্দি থাকার সময় প্যারোলে কিছুদিনের জন্য মুক্তি পেয়েছিলেন প্রদীপ। সেই সময়েই জেলে না ফিরে পালিয়ে যেতে সক্ষম হন তিনি। এরপরেই তাঁর খোঁজ চলতে শুরু করে। কিছুতেই তাঁর নাগাল পাচ্ছিল না পুলিশ।
advertisement
আরও পড়ুন: থানার মধ্যেই পুলিশকর্মীকে আপত্তিকর স্পর্ষের অভিযোগ ৩ সহকর্মীর বিরুদ্ধে! ৮ মাস পর দায়ের FIR
এই প্রসঙ্গে এক তদন্তকারী আধিকারিক জানান, বরেলি থেকে মোরাদাবাদে পালিয়ে গিয়েছিলেন তিনি। সেখানে গিয়েই তিনি নিজের নাম, চেহারা সব বদলে ফেলেন। তিনি বড় বড় দাড়ি রাখতে শুরু করেন। নিজেকে একেবারে বদলে ফেলেন তিনি।
সম্প্রতি সেই মামলাটি ফের এলাহাবাদ হাইকোর্টে ওঠে, সেখানেই আদালত পুলিশকে নির্দেশ দেয় চার সপ্তাহের মধ্যে দোষীকে খুঁজে আনতে হবে। এরপরেই ৩৬ বছর আগের মামলার পলাতক আসামিকে খুঁজতে বিশেষ দল গড়ে উত্তরপ্রদেশ পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে খবর, প্রথমে প্রদীপের ভাই সুরেশের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। তিনি এখনও বরেলিতেই থাকেন। তাঁর কাছ থেকেই পুলিশ জানতে পারে কিছু বছর আগে প্রদীপ বরেলিতে এসেছিলেন। এরপরে তাঁর ভাইয়ের উপরেই নজরদারি শুরু করে পুলিশ। আর তাতেই সূত্র মেলে। কিন্তু যে ব্যক্তিকে আটক করা হয় তাঁর সঙ্গে মিল পাওয়া যাচ্ছিল না প্রদীপের। লাগাতার জেরার মুখে পরে তাজ্জব বনে যান তদন্তকারীরা আটক আব্দুল রহিম জানান, তিনিই আদতে প্রদীপ। নাম ভাঁড়িয়ে তিনিই আব্দুল হয়েছেন।
