আরও পড়ুন-ক্রিপ্টোর দুনিয়ায় নতুন? জেনে নিন এখানে বিনিয়োগ শুরু করবেন কীভাবে
যাঁরা বিভ্রান্তিতে থাকেন:
সুস্থ জীবনযাপনের মূল মন্ত্র হল বেশি করে সবুজ শাকসবজি ও পুষ্টিকর খাবারদাবার খাওয়া। পাশাপাশি খাবারের পরিমাণ, ব্যালেন্সড খাবার এবং সময় ধরে খাওয়ার মতো অন্যান্য বিষয়গুলি ওজন কমাতে সাফল্য নিয়ে আসে। ডায়েট নিয়ে যাঁরা বিভ্রান্ত, তাঁরা খাবারের উপর বেশি নজর দিতে গিয়ে অন্যান্য বিষয়কে অবহেলা করে বসেন। সম্পূর্ণ জ্ঞানের অভাবে তাদের ওজন কমতে চায় না। তাই এই ধরনের মানুষদের ওজনকে প্রভাবিত করে এমন সমস্ত বিষয়গুলিকে বিবেচনা করতে হবে।
advertisement
আরও পড়ুন-স্বমেহন না কি সঙ্গীর সহবাস, নারীর শরীর-মন সুস্থ থাকবে কী করে?
যাঁরা আবেগপ্রবণ হয়ে খান:
এই ধরনের ডায়েট যাঁরা মেনে চলেন, তাঁরা তাঁদের অনুভূতি অনুযায়ী খান। যেমন, খুশি হলে মদ্যপান করেন, আবার দুঃখ হলে চিপস এবং বাদাম খেয়ে থাকেন। এঁরা ডায়েট অনুসরণ করলেও প্রায়ই ডায়েটের লক্ষ্য থেকে সরে যান। তাই এই বিভাগের মানুষদের খাবারের উপর মানসিক নির্ভরতাকে নষ্ট করতে হবে। খেয়ে-দেয়ে অপরাধবোধে ভোগা, সুগার ক্রেভিং, স্ট্রেসের জেরে খাওয়া- এ সব কিছুই নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।
খাবারে আসক্তি:
এই ধরনের মানুষদের খাওয়ার সময় কখন থামতে হবে, সেই সম্পর্কে কোনও ধারণা নেই। স্বাস্থ্যকর কিংবা অস্বাস্থ্যকর যা-ই খান না-কেন, তাঁরা অল্পেতে খুশি হন না। সুস্বাদু খাবারের স্বাদ পেলেই বেশি খেয়ে ফেলেন কিংবা দ্বিধাহীন ভাবে খেতে থাকেন। পেট ভরলেও কখন খাওয়া বন্ধ করতে হবে, তা ঠিক মতো বুঝতে পারেন না। অতিরিক্ত খাওয়ার সময় তাঁরা নিজেদের দোষী মনে করলেও প্রায়ই তাঁদের কাজকে ন্যায়সঙ্গত ভেবে একই বিষয়ের পুনরাবৃত্তি করতে থাকেন। এই ধরনের ডায়েট অনুসরণকারীরা দিনে যতটা ক্যালোরি বার্ন করেন, তার চেয়ে বেশি ক্যালোরি গ্রহণ করে ফেলেন। আর এই কারণেই ওজন বেড়ে যায়।
