তিনি জানান, আদা, আখরোট ও গুড়ের সংমিশ্রণে তৈরি এই পানীয় জরায়ুর পেশিকে শিথিল করতে সাহায্য করে। পাশাপাশি শরীরে রক্ত সঞ্চালন বাড়ায় এবং মেজাজের ওঠানামা কমাতেও উপকারী হতে পারে।
সুপ্রিম রায় ‘অ্যান্টি-আমেরিকান’! ‘১০ থেকে বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করছি!’ শুল্ক নিয়ে ফের ঘোষণা ট্রাম্পের
advertisement
উপকরণ
চূর্ণ করা আখরোট – ১ টেবিল চামচ
শুকনো আদা গুঁড়ো (সৌঁঠ) – আধ চা চামচ
গুড় – ১ টেবিল চামচ (রুচি অনুযায়ী)
জল – ২ কাপ
তৈরির পদ্ধতি
প্রথম ধাপ: একটি পরিষ্কার পাত্রে ২ কাপ জল নিন। মাঝারি থেকে উচ্চ আঁচে জ্বাল দিন যতক্ষণ না জল ভালোভাবে ফুটতে শুরু করে। জল ঠিকমতো ফুটলে উপাদানগুলির নির্যাস ভালভাবে মিশবে।
দ্বিতীয় ধাপ: জল ফুটতে শুরু করলে তাতে ১ টেবিল চামচ চূর্ণ আখরোট এবং আধ চা চামচ আদা গুঁড়ো দিন। আঁচ কমিয়ে ৫ থেকে ৭ মিনিট ঢিমে আঁচে ফুটতে দিন। এতে আখরোটের ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড এবং আদার প্রদাহনাশক গুণ জলে মিশে যায়। ধীরে ধীরে জলের রঙ বদলাতে শুরু করবে এবং হালকা সুগন্ধ ছড়াবে।
তৃতীয় ধাপ: প্রায় ৬-৭ মিনিট পর জল অর্ধেকের মতো কমে এলে আঁচ বন্ধ করুন। এবার ১ টেবিল চামচ গুড় যোগ করুন। মনে রাখবেন, গুড় সবসময় আঁচ বন্ধ করার পর দিতে হবে, যাতে স্বাদ ও গুণ বজায় থাকে। ভালো করে নাড়ুন যতক্ষণ না গুড় সম্পূর্ণ গলে যায়।
চতুর্থ ধাপ: একটি ছাঁকনির সাহায্যে মিশ্রণটি কাপ বা মগে ছেঁকে নিন। অবশিষ্ট আখরোট চাইলে খেয়ে নিতে পারেন। পানীয়টি চায়ের মতো ধীরে ধীরে পান করুন। খুব গরম নয়, হালকা গরম অবস্থায় খাওয়াই উত্তম।
কীভাবে কাজ করে এই পানীয়?
আখরোট: এতে রয়েছে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড ও ম্যাগনেশিয়াম, যা পেশি শিথিল করে এবং প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে।
আদা: প্রাকৃতিক প্রদাহনাশক হিসেবে পরিচিত। পিরিয়ডের সময় ব্যথা ও বমিভাব কমাতে সাহায্য করতে পারে।
গুড়: শরীরে দ্রুত শক্তি জোগায় এবং পেটফাঁপা কমাতে সহায়ক।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পানীয় শরীরকে পুষ্টি জোগানোর পাশাপাশি পিরিয়ডের সময় মানসিক ও শারীরিক অস্বস্তি কমাতে সাহায্য করতে পারে। তবে দীর্ঘস্থায়ী বা অতিরিক্ত ব্যথার ক্ষেত্রে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।
