পাঁচ দিন ধরে ভোগ আরতি, পুজোপাঠের পর , বিসর্জনের দিন দেবী দুর্গার কোলে থাকা মাটির গণেশের বিগ্রহ খুলে ভক্তদের কোলে দিয়ে মঙ্গলকামনা করে থাকেন। গনেশজননী মন্দিরের পার্শ্ববর্তী বাসিন্দা এবং পরিষদের সম্পাদক সত্যনারায়ণ ভক্ত, জানান এবারেও জেলার বিভিন্ন প্রান্ত এমনকি জেলা পেরিয়ে সুদূর মেদিনীপুর থেকেও পর্যন্ত ভক্তরা এসেছিলেন গণেশ কোলে নিতে।
advertisement
আরও পড়ুন : সুন্দর প্রাকৃতিক পরিবেশে জাগ্রত সতীপীঠ, বীরভূমে এলে দর্শন করুন এই মন্দির
এলাকার বাসিন্দা এবং ভক্তদের মাধ্যমে এই প্রচার হওয়ার ফলেই তাদের পরিচিত আত্মীয়-স্বজন অনেক দূর থেকেই আসেন। মায়েদের আগের দিন উপোস করে , পরের দিন সকালে গঙ্গাস্নান করে নতুন বস্ত্র পরে তবেই মন্দিরের গণেশ কোলে নেওয়ার সুযোগ পান। গণেশের জন্য আনা মিষ্টান্ন এবং দক্ষিণা প্রদান করে। ৬৯ বছর আগে ঠাকুরদালানে মূর্তি নির্মাণের সময় থেকেই, মাটির তৈরি গণেশ জননী প্রতিমার কোলে নিরাপদে মাটির তৈরি গণেশ থাকার বিশেষ ব্যবস্থা করে থাকেন মৃৎশিল্পী। সেই রীতি ও ঐতিহ্য আজও প্রচলিত।





