সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, পিরিয়ডের দাগ হল রক্তের দাগ, এবং রক্তের দাগ তোলার সময় গরম জল সবচেয়ে বড় ভুল। গরম জল দাগটিকে স্থায়ীভাবে কাপড়ের মধ্যে আটকে দেয়। অতএব, বিছানার চাদরটি ঠান্ডা জলে ভিজিয়ে রাখা উচিত। যদি দাগটি তাজা হয়, তবে কেবল ঠান্ডা জলে আলতো করে ঘষলেই যথেষ্ট। আপনি যত তাড়াতাড়ি পদক্ষেপ নেবেন, এটি অপসারণ করা তত সহজ হবে।
advertisement
যদি দাগ শুকিয়ে যায়, তাহলে লবণ এবং ঠান্ডা জল একটি কার্যকর প্রতিকার। এক বালতি ঠান্ডা জলে ১-২ চা চামচ লবণ যোগ করুন এবং বিছানার চাদরটি কয়েক ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখুন। লবণ রক্তকে আলগা করে, ধীরে ধীরে দাগ হালকা করে। হালকা ডিটারজেন্ট দিয়ে ধুয়ে ফেললে বেশিরভাগ দাগ দূর হয়ে যাবে। সাদা বা হালকা রঙের বিছানার চাদরের জন্য এই পদ্ধতিটি বিশেষভাবে কার্যকর।
হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড পুরনো পিরিয়ডের দাগ দূর করতেও সহায়ক, তবে এটি শুধুমাত্র সাদা বা রঙিন পোশাকের ক্ষেত্রেই ব্যবহার করা উচিত। দাগযুক্ত স্থানে কয়েক ফোঁটা লাগান; ফেনা তৈরি হবে এবং রক্ত ভেঙে যেতে শুরু করবে। কয়েক মিনিট পর ঠান্ডা জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। যদি বিছানার চাদর রঙিন হয়, তাহলে বিবর্ণতা এড়াতে প্রথমে কোণায় পরীক্ষা করে দেখুন।
আরও পড়ুন : ৩ গাছে ত্র্যহস্পর্শ! কিলবিলিয়ে সাপ আসবে বাড়িতে! ভুলেও রাখবেন না ঘরের আশেপাশে!
বেকিং সোডা এবং লেবুর মিশ্রণ আরও একটি প্রাকৃতিক এবং কার্যকর পদ্ধতি। দাগের উপর বেকিং সোডা ছিটিয়ে দিন এবং তারপর লেবুর রস ঢেলে দিন। কয়েক মিনিট পর, আলতো করে ঘষুন এবং ঠান্ডা জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এই পদ্ধতিটি কেবল দাগ দূর করে না বরং বিছানার চাদর থেকে দুর্গন্ধও দূর করে। তবে, দীর্ঘক্ষণ সূর্যের আলোতে থাকার ফলে রঙ বিবর্ণ হতে পারে, তাই সাবধান থাকুন।
যদি ঘরোয়া প্রতিকার কাজ না করে, তাহলে আপনি এনজাইম-ভিত্তিক ডিটারজেন্ট ব্যবহার করতে পারেন। এই ডিটারজেন্টগুলি রক্তের মতো প্রোটিনের দাগ ভাঙতে সাহায্য করে। বিছানার চাদর ঠান্ডা জলে ভিজিয়ে রাখুন, তারপর ডিটারজেন্ট লাগান এবং যথারীতি ধুয়ে ফেলুন। দাগ সম্পূর্ণরূপে অপসারণ না হওয়া পর্যন্ত বিছানার চাদরটি ড্রায়ারে বা উচ্চ তাপে শুকানোর বিষয়ে সতর্ক থাকুন।
