জেলার ইতিহাস গবেষক এম আতাউল্লাহ জানান, “সুলতানি আমলের ধ্বংসাবশেষ এই স্থাপত্যের ইটের তৈরি বেসমেন্ট অর্থাৎ ভিত অংশগুলি দেখে অনুমান করা যায় কত সুন্দর ছিল এই রাজপ্রাসাদ। মূলত লাল রঙের পালিশ করা ইট দিয়ে তৈরি করা হয়েছিল এই বিলাসবহুল রাজপ্রাসাদ। বহু শাসক শাসন করেছেন এই রাজধানী। তবে এই রাজপ্রাসাদটি প্রথম তৈরি করেছিলেন ইলিয়াস শাহী বংশের সুলতান প্রথম নাসিরউদ্দিন মাহমুদ শাহ। এরপর আরও সুলতানি শাসক গৌড় নগরীতে একাধিক নিদর্শন ও স্থাপত্য তৈরি করে গিয়েছিলেন যা আজও দাঁড়িয়ে রয়েছে প্রাচীন রাজধানী গৌড় নগরীর বুকে।”
advertisement
আরও পড়ুন : দারুণ রেজাল্ট! নতুন চাকরির খোঁজ! স্ত্রীর সঙ্গে সুসম্পর্ক! সরস্বতী পুজোয় বাম্পার সৌভাগ্য ৩ রাশির
ধ্বংসাবশেষ এই রাজপ্রাসাদের বেঁচে থাকা অংশগুলোর গঠন ও কারুকার্য দেখতে আজও দূর-দূরান্ত থেকে ছুটে আসেন পর্যটক থেকে গবেষকরা। কোথাও টেরাকোটার কারুকার্য তো আবার কোথাও লাল ইট ও পাথরের উপর খোদাই করা নকশা। প্রাচীন গৌড়ে একাধিক শাসনকালের শাসক দ্বারা তৈরি বহু স্থাপত্য ও নির্মাণের ইতিহাস জানা গেলেও শিলালিপি বা স্মৃতিফলক না থাকায় আজও বহু স্থাপত্যের ইতিহাস অজানা অনেকের কাছে।