এনসিবিআই-এর রিপোর্ট বলছে, ইনসুলিন প্ল্যান্ট সুগার নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে দারুণ কার্যকরী হতে পারে। ইনসুলিন প্ল্যান্ট বা কোস্টাস ইগনাস গাছটি কোস্টাসিয়া গোষ্ঠীর। আর এই গাছ আপনার সুগার কমাতে পারে বলেই বিভিন্ন গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে। এই গাছ এশিয়া মহাদেশে বেশি পরিমাণে পাওয়া যায়। এর মধ্যে ভাল পরিমাণে প্রোটিন, আয়রন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। এই সব মিলিয়ে রক্তে সুগার কমাতে পারে এই গাছ।
advertisement
আরও পড়ুন: জয়েন্টের পর কোথায় ভর্তি হবেন? NIRF Ranking-এ দেশের সেরা ১০ বেসরকারি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের হদিশ রইল
খারাপ জীবনযাপন এবং অনিয়মিত খাদ্যাভাসের কারণে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। ডায়াবেটিস রোগীদের তাঁদের শরীরে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে নানা সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। এমতাবস্থায় রোগীদের জন্য সবচেয়ে ভাল ওষুধ হচ্ছে ইনসুলিন প্ল্যান্ট।
বারমের মাতা সতী দক্ষিণানী মন্দিরের পুরোহিত বাসুদেব জোশী তাঁর মন্দিরে শত শত ঔষধি গাছ লাগিয়েছেন, তার মধ্যে একটি হল ইনসুলিন প্ল্যান্ট। এর পাতা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য যে কোনও ওষুধের মতোই কার্যকরী। ইনসুলিন প্ল্যান্টে উপস্থিত বিভিন্ন গুণাবলী রক্তচাপ, চোখ, শর্করা, অন্ত্র এবং হার্ট সংক্রান্ত সমস্যাগুলিতেও অত্যন্ত উপকারী।
ইনসুলিন গাছের পাতায় প্রোটিন, ফ্ল্যাভোনয়েড, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট অ্যাসকরবিক অ্যাসিড, কার্বলিক অ্যাসিড, টেরপেনয়েড পাওয়া যায় যা রক্তে শর্করার পরিমাণ কমাতে সাহায্য করে। পুরোহিত বাসুদেব জোশী জানিয়েছেন যে তিনি নয়ডা এবং ভরতপুর থেকে এর অনলাইন অর্ডার করিয়েছিলেন। তিনি ফেসবুক থেকে অনলাইনে অর্ডার করেছিলেন, ফলে সব মিলিয়ে তিনি প্রায় ৮০ টাকায় এক একটি গাছ পেয়েছেন।
তিনি আরও জানান যে, এটি মার্চ-এপ্রিল মাসে রোপণ করা হয় এবং নভেম্বর-ডিসেম্বর মাস থেকে ব্যবহার করা যেতে পারে। তিনি আরও বলেন, যে রোগীর শরীরে ইনসুলিনের পরিমাণ কম তাঁদের ইনসুলিন ইনজেকশন নেওয়ার প্রয়োজন না হলে তাঁরা এই গাছের পাতা ব্যবহার করতে পারেন। এর পাতা খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা কমে। এর পাতা চওড়া ও হালকা সবুজ রঙের হয়, এতে ছোট ছোট লাল ফুলও ফোটে।
