TRENDING:

Madanmohan Jiu Temple: ঝুলনযাত্রা, দোলপূর্ণিমা, রাস উৎসবে অগণিত ভক্ত সমাগম, ৪৫০ বছরেরও বেশি প্রাচীন মদনমোহন জীউর মন্দির বহু ইতিহাসের সাক্ষী

Last Updated:

Madanmohan Jiu Temple: আঞ্চলিক ইতিহাস গবেষক মন্মথ দাস তাঁর পটাশপুরের 'সেকাল একাল' গ্রন্থে বলেছেন, নৈপুরের শোলাঙ্কী বংশীয় জমিদার দাস-কানুনগো পরিবারের এই মন্দির একটি প্রাচীন বৈষ্ণব দেবস্থান। মদনমোহন জীউর বিগ্রহ প্রাপ্তি নিয়েও রয়েছে ইতিহাস।

impactshort
ইমপ্যাক্ট শর্টসলেটেস্ট খবরের জন্য
advertisement
পটাশপুর, মদন মাইতি: ১৬৬৫ খ্রিস্টাব্দে নির্মিত নৈপুরগড়ের মদনমোহন মন্দির। বহু ইতিহাস বিজড়িত এই মন্দির। কত ঘটনার সাক্ষী এই প্রাচীন দেবালয়। পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় পটাশপুর এক ব্লকের নৈপুর মদনমোহন মন্দির। প্রতিদিন এই মন্দিরের ভক্তদের ভিড় দেখা যায়। ঝুলন,দোল, রাস উৎসবে ব্যাপক জনসমাগম ঘটে এই মন্দিরে। এলাকার মানুষের কাছে এই মন্দির শুধু দেবস্থান নয়, এটি এক আবেগ ও ঐতিহ্যের নাম। জানেন এই নৈপুরগড়ের এই মদনমোহন মন্দিরের সেই অজানা ইতিহাস?
advertisement

আঞ্চলিক ইতিহাস গবেষক মন্মথ দাস তাঁর পটাশপুরের ‘সেকাল একাল’ গ্রন্থে বলেছেন, নৈপুরের শোলাঙ্কী বংশীয় জমিদার দাস-কানুনগো পরিবারের এই মন্দির একটি প্রাচীন বৈষ্ণব দেবস্থান। মদনমোহন জীউর বিগ্রহ প্রাপ্তি নিয়েও রয়েছে ইতিহাস। রাজা পুরুষোত্তম দেবের পুত্র বাসুদেব দেবসিংহের রাজত্বকালে যুবরাজ শিবরাম দেবের এক পুত্র অতি শৈশবে মারা যায়। সেই সন্তানের নাম ছিল মদনমোহন। এই ঘটনার সঙ্গে মন্দিরের ইতিহাস গভীরভাবে জড়িয়ে আছে।

advertisement

কথিত, এরপরই একদল সাধু গঙ্গাসাগর থেকে প্রত্যাবর্তনের পথে নৈপুরগড়ে আশ্রয় নেন। রাজপরিবার তাঁদের আতিথেয়তা গ্রহণ করে। সেই সাধুদের সঙ্গে ছিল কৃষ্ণপাথরের একটি মদনমোহন বিগ্রহ। নৈপুরগড় থেকে বিদায় নেওয়ার সময় তাঁরা সেই বিগ্রহ যুবরাজ শিবরাম দেবের হাতে তুলে দেন। এরপর সেই বিগ্রহ রাজ পরিবারের ইষ্টদেবতা হিসেবে পূজিত হতে শুরু করে।

আরও পড়ুন : ভালবাসার ছোঁয়া! মন ছুঁয়ে যাওয়া উদ্যোগে অন্তঃসত্ত্বাদের জন্য সাধভক্ষণের আয়োজন অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের

advertisement

মন্দির নির্মাণের উদ্দেশে বৃদ্ধ রাজা বাসুদেব দেবসিংহ ভিত্তিস্থাপন করেন। পরে রাজা শিবরাম দেবের আমলেই মন্দির নির্মাণ সম্পূর্ণ হয়। প্রথমে মন্দিরে এককভাবে মদনমোহন জীউ প্রতিষ্ঠিত ছিলেন। পরবর্তীকালে রাজা নীলাম্বর দেবসিংহের রাজত্বকালে মন্দিরে আরও মূর্তি সংযোজিত হয়। বগড়ীর কৃষ্ণরায় জীউর মন্দির থেকে অষ্টধাতু নির্মিত রাধিকা জীউ এখানে আনা হয়। পরে ললিতা সখীর বিগ্রহও মন্দিরে প্রতিষ্ঠিত করা হয়। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, মন্দিরটি ১৬৬৫ খ্রিস্টাব্দে নির্মিত হয়। জগমোহনের চালায় সেই তারিখ আজও খোদাই করা আছে। মন্দিরের গঠনশৈলীও বিশেষভাবে নজরকাড়া।

advertisement

সেরা ভিডিও

আরও দেখুন
দূষণমুক্ত সমাজ গড়তে একজোট ৫৪ স্কুল, শপথ নিল শতাধিক পড়ুয়া! সচেতনতায় মুগ্ধ বিশেষজ্ঞরা
আরও দেখুন

এটি সপ্তরথ দেউল রীতিতে নির্মিত। জগমোহনের চালা পিরামিড আকৃতির। মন্দিরে টেরাকোটার কাজ নেই। মদনমোহন জীউর দু’বেলা অন্নভোগসেবা হয়। আজও এই মন্দির জেলার ইতিহাসের এক জীবন্ত স্মারক।

Click here to add News18 as your preferred news source on Google.
স্বাস্থ্য এবং লাইফস্টাইলের (Lifestyle News in Bengali)সব খবরের আপডেট পান নিউজ 18 বাংলাতে ৷ যেখানে থাকছে হেলথ টিপস, বিউটি টিপস এবং ফ্যাশন টিপসও ৷ দেখুন ব্রেকিং নিউজ এবং টপ হেডলাইনগুলি অনলাইনে নিউজ 18 বাংলার লাইভ টিতে ৷ এর পাশাপাশি ডাউনলোড করুন নিউজ 18 বাংলার অ্যাপ অ্যান্ড্রয়েড এবং আইওএস-এ সব খবরের আপডেট পেতে ! News18 Bangla-কে গুগলে ফলো করতে ক্লিক করুন এখানে ৷
বাংলা খবর/ খবর/লাইফস্টাইল/
Madanmohan Jiu Temple: ঝুলনযাত্রা, দোলপূর্ণিমা, রাস উৎসবে অগণিত ভক্ত সমাগম, ৪৫০ বছরেরও বেশি প্রাচীন মদনমোহন জীউর মন্দির বহু ইতিহাসের সাক্ষী
Advertisement
Open in App
হোম
খবর
ফটো
লোকাল