বছরের এই সময় প্রায় সকলেই নিজের নিজের বাড়ি সাজাতে পছন্দ করেন। আজকাল অনেকেই প্লাস্টিকের তোরণ নিয়ে বাড়ি সাজান। প্রায় সমস্ত প্রদেশেই নানা ধরনের আচার পালন করা হয়, নিজস্ব প্রথা মেনে। ছত্তিসগঢ়ের বিশেষত্ব হল ধানের তোরণ বা ঝালর। বাংলার মানুষও এমন ধানের শিষের ঝালর ব্যবহার করেন লক্ষ্মীপুজোর সময়। কালীপুজোয় যাঁরা লক্ষ্মী আরাধনা করেন, তাঁরাও এই ঝালর ব্যবহার করেন।
advertisement
আরও পড়ুন: দুধে লবণ যোগ করলে কী হয় জানেন…? উত্তর শুনলে চমকে যাবেন!
ছত্তিসগঢ়ের মানুষ খড়ের নানা ধরনের সামগ্রী ব্যবহার করেন দীপাবলির সাজসজ্জার জন্য। একথা বলাই যায়, পরিবেশ-বান্ধব সাজসজ্জার ক্ষেত্রে এটা একটা দারুন পদক্ষেপ। সারা রাজ্যে এমন একটা সাজসজ্জা ঐতিহ্যের কথা মনে করিয়ে দেয়। প্রাচীন কালে ধানের শিষের ঝালর বা তোরণ লাগানো হত দরজায়। এর একটা অন্য কারণ রয়েছে। পশু পাখিদের রক্ষা করাও এই প্রথার অঙ্গ। এই ধানের শিষের অংশ থেকে পশু-পাখিরা খাদ্য সংগ্রহ করতে পারে। আজও সেই প্রথা চলে আসছে। গ্রাম-গঞ্জ থেকে বহু মানুষ এসে ভিড় করেন রায়পুরের বাজারে, এই তোরণ কিনতে।
আরও পড়ুন: সর্বনাশ…! দীপাবলিতে বাড়ি সাজাতে গিয়ে এই ‘ভুলগুলি’ করছেন না তো? বিদায় নেবেন মা লক্ষ্মী
তেমনই একজন ক্রেতা জয়প্রকশ পারধি এসেছিলেন আরঙ্গ থেকে। নিউজ ১৮-কে তিনি জানালেন, ছত্তিসগঢ়ের ঐতিহ্যবাহী প্রথাগুলোর মধ্যে এটাও একটা। দীপাবলির সময় সকলেই সকলের বাড়ির দরজায় এই ঝালর লাগিয়ে থাকে। তবে এই বছর এর চাহিদা যেন এক ধাক্কায় অনেকখানি বেড়ে গিয়েছে।
নানা রকমের নকশায় এই ঝালর বিক্রি হচ্ছে বাজারে। কোনটার গোল ঝালর তো কোনটার সুয়ো ওঠা, কোনটা জটিল নকশায় বোনা। নকশা অনুযায়ী ৫০০ থেকে ১৫০০ টাকা ঝালর পাওয়া যায়।
