বন দফতর সূত্রে জানা গেছে, বনপুকুরিয়া বনক্ষেত্রের মোট আয়তন ৪০৩ দশমিক ১৮ হেক্টর। এর মধ্যে ৪৪ হেক্টর জমিতে গড়ে তোলা হয়েছে হরিণদের জন্য বিশেষ অভয়ারণ্য—‘বনপুকুরিয়া ডিয়ার পার্ক’।
১৭ জানুয়ারি থেকে ৩ রাশির জীবনে আসছে অর্থ, সাফল্য ও খ্যাতির যোগ! আপনিও কি আছেন তালিকায়?
বর্তমানে এই পার্কে রয়েছে মোট ৮৮টি হরিণ। খোলা পরিবেশে, প্রাকৃতিক বনাঞ্চলের মধ্যেই হরিণদের বসবাস পর্যটকদের কাছে এই পার্ককে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছে।
advertisement
শীতকালে ডিয়ার পার্কে ঘুরতে আসা পর্যটকদের কাছে সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হল হরিণদের খুব কাছ থেকে দেখা। দল বেঁধে ঘাসে চরে বেড়ান, ছায়াঘেরা জঙ্গলের মধ্যে দৌড়ঝাঁপ—সব মিলিয়ে এক স্বাভাবিক বন্যপ্রাণীর দৃশ্য উপভোগ করা যায় এখানে। শিশু থেকে বয়স্ক—সব বয়সের মানুষের কাছেই এই অভিজ্ঞতা আলাদা আনন্দের।
পর্যটকদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে বন দফতর নিয়মিত পরিচর্যার পাশাপাশি পার্কের পরিবেশও পরিচ্ছন্ন রাখছে। পর্যাপ্ত জল ও খাবারের ব্যবস্থার ফলে হরিণদের স্বাভাবিক আচরণ বজায় থাকছে, যা দর্শনার্থীদের জন্য আরও আনন্দদায়ক অভিজ্ঞতা তৈরি করছে বলে মনে করছেন কর্তৃপক্ষ।
মুকুটমনিপুরে বেড়াতে এলে জলাধারে নৌকোবিহার, মুসাফিরানা ভিউ পয়েন্ট বা শিব দর্শনের পাশাপাশি ডিয়ার পার্ক ঘুরে দেখার সুযোগ শীতকালীন ভ্রমণকে সম্পূর্ণ করে তোলে। প্রকৃতি, বন্যপ্রাণী ও শান্ত পরিবেশ—সব মিলিয়ে বনপুকুরিয়া ডিয়ার পার্ক শীতকালে বাঁকুড়ার অন্যতম আকর্ষণীয় পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে নিজের জায়গা করে নিয়েছে।