দূর দুরান্ত থেকে আগত বহু পর্যটকেরা এই বাড়িটিকে তারাশঙ্কর সংগ্রহশালা বা ধাত্রীদেবতা সংগ্রহশালা বলে থাকেন। প্রসঙ্গত তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় ১৮৯৮ সালে বীরভূমের লাভপুরে জন্মগ্রহণ করেন। এখনও লাভপুর গেলে আপনি দেখতে পাবেন তাঁদের বংশের প্রায় ২৫০ বছর পুরনো কাছারিবাড়ি। ১৯৩৯ সালে প্রকাশিত তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস ধাত্রীদেবতা এই বাড়ির নামকরণের সঙ্গে যুক্ত।
তবে এ বার প্রশ্ন আপনি এই সংগ্রহশালার মধ্যে এলে কী দেখতে পাবেন? এখানে তারাশঙ্করের ব্যবহৃত ব্যক্তিগত জিনিসপত্র যেমন কেদারা, চশমা, পাঞ্জাবি, কলম রাখা রয়েছে খুব যত্নে। তাঁর হাতে আঁকা ছবি যেমন রবীন্দ্রনাথের প্রতিকৃতি, পুরস্কারের স্মারক, বিভিন্ন ধরনের সার্টিফিকেট, নানা জায়গা থেকে পাওয়া চিঠিপত্র, ফোটোগ্রাফ, পারিবারিক নথি-সহ বিভিন্ন সময়ের ছবি-সবকিছুই দেখতে পাবেন।
advertisement
আরও পড়ুন : মঞ্চে ঘুঙুরের বোলে ওঠে ঝড়! খুদে নৃত্যশিল্পী শিঞ্জিনীর প্রতিভায় মুগ্ধ দর্শকরা
এই সংগ্রহশালা ২০১৭ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করা হয়। প্রতি সপ্তাহে মঙ্গল থেকে রবিবার খোলা থাকে এই সংগ্রহশালা। সকাল ১১ থেকে বিকেল ৫ পর্যন্ত সময়সীমা। শুধুমাত্র সোমবার পূর্ণদিবস বন্ধ থাকে। লাভপুর বাজার থেকে খুব বেশি দূরে না ‘ধাত্রীদেবতা’। পায়ে হেঁটে ১০-১৫ মিনিটের পথ। এর পাশাপাশি তাঁর আসল জন্মভিটেও (আঁতুড়ঘর) কাছাকাছি অবস্থিত, যদিও সংগ্রহশালার মতো ততটা সংরক্ষিত নয়। তবে এ বার যদি আপনি লাভপুর ভ্রমণের জন্য আসেন তাহলে অবশ্যই ধাত্রীদেবতায় ঘুরে আসুন। এটি রাঢ় বাংলার সাহিত্যিক ঐতিহ্যের এক জীবন্ত উদাহরণ।





