বিয়ে ব্যাপারটা যে অনাদিকাল থেকে চলে আসছে, তেমনটা নয়! নারী পুরুষ নিজের ইচ্ছে মতো থাকতে পারবেন! এমনটাই ছিল একসময়ের রীতি। তা দোষেরও ছিল না! বাধ সাধলেন ঋষি উদ্দালক পুত্র শ্বেতকেতু। তিনি কড়া নিয়ম করলেন, সমাজে থাকতে গেলে যৌনতার স্বৈরাচারকে প্রশ্রয় দেওয়া যাবে না। তাই নয়, 'যে বিয়ে করেনি, সে অপবিত্র' এমনটাই দাবি করলেন শ্বেতকেতু। ফলে, ধীরে ধীরে বিয়ে বাধ্যতামূলক হয়ে দাঁড়াল। সঙ্গে, বিয়ের আটরকম ভাগও করা হল-
advertisement
ব্রাহ্ম-এই বিয়েতে মেয়েকে গয়নায় সাজিয়ে বরের হাতে তুলে দেওয়া হবে।
দৈব- বিয়ের যজ্ঞ চলাকালীন ঋত্বিকের কাছে বা কারওর মত নিয়ে যজ্ঞকর্তাকে সাক্ষী রেখে মেয়েকে দান করা হয়।
আর্য- এই বিয়েতে দুটো গরুর বিনিময়ে মেয়েকে দান করা হত।
প্রাজাপত্য- বিয়েতে কন্যা ও বর একসঙ্গে ধর্মাচরণ করবে বলে প্রতিশ্রুতি নেবেন।
আসুর- যে বিয়েতে বর মেয়ের বাবাকে অর্থ দিয়ে বিয়ে করেন, তাকে বলে আসুর বিয়ে।
গান্ধর্ব- বর ও কন্যা স্বেচ্ছায়, বাবা-মায়ের অনুমতি না নিয়ে একে অপরকে গ্রহণ করেন।
রাক্ষস- মেয়ের বাড়ির লোকের আপত্তিতে, যদি তাঁদের মারধর করে, গায়ের জোরে ছেলে মেয়েকে বিয়ে করে, তা হলে সেটি রাক্ষস বিয়ে। সাধারণর, এই বিয়েতে মেয়েরও মত থাকে না।
পৈশাচ- যে-মেয়ে ঘুমিয়ে আছে বা মদ খেয়ে চুর, উন্মত্ত বা বিকল মনের, তাকে চুরি করে নিয়ে গিয়ে বিয়ে করলে সেটি পৈশাচ বিয়ে।
আরও পড়ুন- জীবদ্দশায় একবারই দেখা হয়েছিল রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও শ্রী রামকৃষ্ণর
