অভিযোগ, শুক্রবার বিকাল থেকে যাদবপুর ক্যাম্পাসের সায়েন্স আর্টস মোড়ে WTI এর কিছু ছাত্রছাত্রীরা এসএফআই-এর এবং কিছু সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের উত্যক্ত করার চেষ্টা করে এবং ঝামেলা সৃষ্টির চেষ্টা করতে থাকে। এইসব চলাকালীন ডব্লিউ টি আই এর কিছু ছেলে মিলে কেমিস্ট্রির এক ছাত্রকে মারে। এর প্রতিবাদ করতে গেলে বচসা আরও তীব্র আকার ধারণ করে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক পড়ুয়ার কথায়, ‘এমন অবস্থায় আমাদের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক রাজ্যেশ্বর সিনহা পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন। অনেকবার ওদের অনুরোধ করেন যাতে আর ঝামেলা না করে, তবে ওরা শোনে না। উল্টে ডব্লিউ টি আই-এর একটি ছেলে স্যারের গায়ে হাত তোলে। মেরে স্যারের চশমা ভেঙে দেয় এবং তারপর তাকে ডব্লিউ টি আই এর ছেলেরা লুকিয়ে দেয়। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের একজন সাধারণ ছাত্র হিসেবে ঘটনাটির তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।’
advertisement
আইসিসি নির্বাচন ঘিরে গত কয়েক দিন ধরেই যাদবপুর ক্যাম্পাসে উত্তাপ চড়ছিল বলে জানা যায়। শুক্রবার ছাত্র সংগঠনের সদস্যদের মধ্যে বিবাদ শুরু হয়। সেই সংঘাত থামাতে যান বিশ্ববিদ্যালয়েরই অধ্যাপক। তখনই তিনি আহত হয়েছেন বলে খবর। ডব্লিউটিআই ও এসএফআইয়ের মধ্যে গত কয়েকদিন ধরেই সংঘাতের বাতাবরণ ছিল বলে খবর। অধ্যাপককে পার্শ্ববর্তী এক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে চিকিৎসার জন্য। তাঁর চোখে ঘুষি মারা হয়েছে। চশমার কাচ ভেঙে আঘাত লেগেছে নাকে। আপাতত পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।
