সিপিএমের বিবৃতিতে এই বানান বিভ্রাট নিয়ে খোঁচা দিতে ছাড়েনি শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস৷ বানান ভুল নিয়ে সিপিএম নেতৃত্বকে খোঁচা দিয়েছেন দলেরই আর এক বহিষ্কৃত নেতা বর্তমানে তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়৷৷
সিপিএমের জারি করা ওই বিবৃতিতে বলা হয়, ‘গুরুতর দল বিরোধী কার্যকলাপে যুক্ত থাকা এবং শত্রু শিবিরে যোগ দেওয়ার অপরাধে পার্টি গঠনতন্ত্রের ১৯ নম্বর ধারার ১৩ উপধারা অনুযায়ী প্রতীক উর রহমানকে তৎক্ষণাৎ বহিস্কার করা হয়েছে৷’
advertisement
সিপিএমের এই বিবৃতি সামনে আসতেই আসরে নামে তৃণমূল কংগ্রেস৷ বানান বিভ্রাট নিয়ে খোঁচা দিয়ে দলের সাংসদ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে বিজেপি বিরোধী লড়াইকে জোরদার করতে আমাদের নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে প্রতীক উর রহমান তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন৷ তাঁর এই যোগদানের পর সিপিএমের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটি একটি প্রেস বিবৃতি দিয়ে তাঁকে বহিষ্কার করেছে৷ সিপিএম নিজেদের মেধা চর্চার সর্বোচ্চ কেন্দ্র মনে করে৷ মহম্মদ সেলিমের জমানায় সিপিএমের মেধা চর্চার এত রমরমা প্রকৃতপক্ষে সিপিএমে নিম্ন মেধার চাষ হচ্ছে৷ নিম্ন মেধার তথাকথিত হোলটাইমারদের তুলে ধরার চেষ্টা চলছে৷ প্রতীক উর রহমানকে বহিষ্কার করার বিবৃতিতে সেটা আবারও প্রমাণিত হল৷ আমার বিশ্বাস করতে কষ্ট হচ্ছিল যে সিপিএম প্রতীকূর রহমানকে বহিষ্কার করতে যে বিবৃতি দিয়েছে, তাতে বহিষ্কার বানানটাই ভুল৷ হাজার হাজার তেজি মেধা সম্পন্ন ঘোড়াকে নিয়ে নাকি আলিমুদ্দিন স্ট্রিট কাজ করছে, তারা নাকি বহিষ্কার বানানটাই ঠিক করে লিখতে পারছে না৷ চারদিকে এত মেধা রয়েছে, প্রেস বিবৃতিটা দেওয়ার আগে একবার কাউকে দেখিয়ে নিলে হত না? দয়া করে ওই প্রেস বিবৃতিতা সেলিম সাহেবরা পাল্টে নেবেন, এটাই আশা রাখি৷’
যদিও সিপিএম নেতৃত্বের পক্ষ থেকে প্রেস বিবৃতিতে এই বানান ভুল নিয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি৷ নতুন করে কোনও প্রেস বিবৃতিও এই প্রতিবেদন প্রকাশ হওয়া পর্যন্ত সিপিএমের পক্ষ থেকে প্রকাশ করা হয়নি৷
