SIR শুনানিতে ডাক পড়া নিয়ে তিনি বলেন, “২০০২-এর তালিকায় আমার নাম রয়েছে। কিন্তু নোটিসে আমায় বলা হয়েছে, আমি আমার ও আমার আত্মীয়ের সম্পর্কে কিছু তথ্য দিইনি। আমি ২০০২-এর কাগজ নিয়ে যাব। এই সমস্যাটা সম্পূর্ণ নির্বাচন কমিশনের। যদি অ্যাপ আপডেট করা থাকত, তাহলে তো অ্যাপের মধ্যেই সমস্ত তথ্য থাকার কথা। ২০০২ সালে যখন আমার নাম রয়েছে, সেখানে তো আমার আর নতুন করে কোনও তথ্য দেওয়ার প্রয়োজনই পড়ে না। এটা অসম্মানজনক আর অপমানজনক তো বটেই।”
advertisement
শশী পাঁজা আরও বলেন, “কিন্তু এটা শুধু ব্যক্তি আমার বলে নয়, এইভাবেই একজন সাধারণ মানুষ, একজন সাধারণ ভোটার হেনস্থার মুখোমুখি হচ্ছেন। আমার ঠিকানাও পরিবর্তন হয়নি। আমার ২ সন্তান। তাঁরা সম্পর্কের জায়গায় আমার স্বামীর কথাই লিখেছি। আমি বিয়ে করে এই বাড়িতে আসার পরে ভোটও দিয়েছি। সাধারণ মানুষ যেমন হিয়ারিং-এর লাইনে দাঁড়িয়ে কাগজ জমা দিচ্ছেন, আমি ও দেব।”
মন্ত্রীর কথায় “আমার কোনও বিশেষ সুবিধার দরকার নেই। কিন্তু আমার জন্য হিয়ারিং সেন্টার বেশি দূরে নয়। আমি তো আমার এলাকাতেই থাকি। কিন্তু নির্বাচন কমিশনের এই গলদের জন্য, সাধারণ মানুষদের হেনস্থা হতে হচ্ছে। কারণ নির্বাচন কমিশনের অ্যাপটাই সঠিকভাবে কাজ করছে না। প্রচুর মানুষ, ২০-৩০ কিলোমিটার যাচ্ছেন এমন একটা কাজের জন্য, যার জায় নির্বাচন কমিশনের। সাধারণ মানুষের নয়।”
প্রসঙ্গত এর আগে সাংসদ দেব, সাংসদ সামিরুল ইসলাম, রাজ্যের মন্ত্রী তাজমুল হোসেন সহ অনেককেই ডাকা হয়েছে শুনানিতে। এমনকি অর্মত্য সেন, জয় গোস্বামী, মহম্মদ শামির মতো বিশিষ্টদেরকেও ডাকা হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে এই বিষয়ে সরব হতে দেখা গেছে বারবার। এবার কলকাতায় রাজ্যের মন্ত্রীকে ডাকা নিয়েও শুরু রাজনৈতিক চাপানউতোর।
