তিনি বলেন, ‘‘আমার যে ২০৯ পাট আছে একমাত্র আমার নাম দেখলাম জানি না ক’জনের নাম কাটা গিয়েছে। এখনও এক নম্বর লিস্টের কোনও কিছুই দেখা যাচ্ছে না। শ্যামপুকুর বিধানসভা কেন্দ্রে ২৭০০র বেশি অ্যাডজুডিকেশন রয়েছে। এদের সকলের কী হবে? এটা চিন্তার বিষয়! এদেরকে তৃণমূল কংগ্রেসই সাহায্য করছে। সব বিধানসভা কেন্দ্রেই আমাদের মতো। কে ডিলিট হল, আর কে রইল? ভারতীয় জনতা পার্টির কোন মাথা ব্যাথা নেই।’’
advertisement
আরও পড়ুন: LPG সিলিন্ডার নেওয়ার আগে এই একটি জিনিস ‘চেক’ করে নিয়েছেন তো? নাহলেই কিন্তু সর্বনাশ হয়ে যাবে
তৃণমূল নেত্রী জানালেন প্রথম সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট খুলে তাঁরা কিছু দেখতেই পারেননি৷ শশী পাঁজার কথায়, ‘‘সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট ওয়ান আমরা খুলতে পারিনি অন্তত আমার বিধানসভা ক্ষেত্রের কথা বলছি। গতকাল রাতে যখন সাপ্লিমেন্টারি টু লিস্ট খুললাম কেশব একাডেমী বুথ নাম্বার ২০৯ শশী পাঁজার নাম রয়েছে।’’
নির্বাচন কমিশনকে তোপ দেগে তিনি বলেন, ‘‘এটা আমার অধিকার বিধানসভা নির্বাচনে দাঁড়ানো। আমার পার্টি আমাকে চতুর্থবার দাঁড়ানোর সুযোগ দিয়েছে; আমি গর্বিত। ইলেকশন কমিশন আমার অধিকার কেড়ে নেবে? দয়া দক্ষিণের বিষয় না। এটা আমার সাংবিধানিক অধিকার। যখন প্রথম নোটিশ পেয়েছিলাম অবাক হয়ে গিয়েছিলাম। ২০০২ সালের কাগজ থেকে শুরু করে প্রয়োজনীয় সবই জমা করেছিলাম। এরপর নামের উপর অ্যাডজুডিকেশান! সত্যি দুশ্চিন্তার কারণ।’’
বিজেপিকে নিশানা করে শশী পাঁজা বলেন, ‘‘বাংলার বঞ্চনা নিয়ে আমরাই তো চার্জশিট দিয়েছি। বাংলার প্রাপ্য টাকা ১০০ দিনের বকেয়া এসব কেন দেয়নি কেন্দ্র তৃণমূল কংগ্রেস আগেই তো চার্জশিট দিয়ে জানিয়েছে। কেন্দ্রীয় বাজেটে বরাদ্দ বাংলার জন্য কি আছে? কিছুই নেই নাথিং কিছুই দিলেন না। বিগত বছরগুলিতেও কিছু দেয়নি। বাংলাকে কিছুই দিলেন না আর বাংলাদেশী রোহিঙ্গা এই তকমা জুড়ে দিলেন? একটা ন্যারেটিভ জুড়ে দিলেন ভুল ভ্রান্তি। বহু চার্জশিট! আমাদের অনেক অনেক অভিযোগ।’’
তিনি আরও বলেন, ‘‘আমরা তো প্রতি নির্বাচনে রিপোর্ট কার্ড পেশ করেছি। বিজেপির রিপোর্ট কার্ড কোথায়? বাংলার জন্য আপনি কি করেছেন! বিজেপি বলুক না কি করেছে সারা ভারতবর্ষ জুড়ে? আমরা তো তাদের রিপোর্ট কার্ড পাইনি রিপোর্ট কার্ড পেলে তবে তো যাচাই করব! তবে বিজেপির বিধানসভা ভিত্তিক যে অভিযোগ সেগুলো দেখছিলাম হাস্যকর ভুলভ্রান্তি। আমার বিধানসভায় যদি এখন বিজেপি বলে আমি নারী পাচারকারী তাহলে তো আমার কিছু বলার নেই!’’
বাসন্তীর ঘটনা প্রসঙ্গে শশীর বক্তব্য, ‘‘এখন তো মডেল কোড অফ কন্ডাক্ট চলছে। এখন দলগতভাবে আমরা কি বলব? ঘটনা ঘটেছে তার প্রেক্ষিতে ইলেকশন কমিশন এর অধীনে প্রশাসন ব্যবস্থা নিয়েছে আইসি বদল হয়েছে, ঘটনার তদন্ত হোক। এমসিসি চলছে, তার মধ্যে শ্রীরামচন্দ্রের জন্মদিন যেভাবে তারস্বরে ডিজে বাজানো চলছে!! নাজিহাল অবস্থা মানুষের। ভুরিভুরি অভিযোগ। প্রকাশ্যে অস্ত্র নিয়ে বেরিয়েছে। এখন ইলেকশন কমিশনের মডেল কোড অফ কন্ডাক্ট চলছে শুয়োমটো দেখে নেওয়া উচিত। সোশ্যাল মিডিয়ায় সবকিছুই তো দেখা যাচ্ছে। অল পার্টির মিটিংয়ে আমরা তো বলেছি (নির্বাচন কমিশনের বই দেখিয়ে)। এই যে মনিটরিং ইত্যাদি কে বলবে? কীভাবে হবে!
