এর মধ্যে ২০২১ সালে বিধানসভা ভোটের আগে সংসদে অন রেকর্ড তৃণমূল কংগ্রেসকে বিষোদগার করেন দিনেশ ত্রিবেদী। ছাড়েন সাংসদ পদ ও দলের সদস্যপদ। তার ছেড়ে যাওয়া আসনে পাঠানো হয় অবসরপ্রাপ্ত আমলা জহর সরকারকে। আরজি কর আন্দোলনের সময় সাংসদ পদ ও দল ছেড়ে দেন জহর সরকার। ফাঁকা হয়ে যাওয়া আসনে পাঠানো হয় ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে।
advertisement
অন্যদিকে গোয়া বিধানসভা ভোটের আগে সংসদ পদ থেকে ইস্তফা দেন অর্পিতা ঘোষ। সেই জায়গায় পাঠানো হয়, গোয়ার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী লুইজিনহো ফালেরিওকে। বেশিদিন তিনি স্থায়ী হননি। সদস্যপদ ও দল ছাড়েন লুইজিনহো। সেই ফাঁকা আসনে পাঠানো হয় আরটিআই অ্যাক্টিভিস্ট সাকেত গোখেলকে। এই দুই আসনে এতবার মুখ বদল হয়েছে যে তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলেও বারবার আলোচনা হয়েছে।
কিছুদিন আগেই দল ও সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে কংগ্রেসে যোগ দেন মৌসম বেনজির নুর। এছাড়া এই রাজ্যসভার মেয়াদ শেষ হচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সী। মেয়াদ শেষ হচ্ছে বাম নেতা বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্যের। বিধায়কের হিসাবে এই মুহূর্তে বিধানসভায় প্রতিনিধি নেই বামেদের। ফলে রাজ্যসভাতেও বাংলা থেকে এবার শূন্য (০) হচ্ছে বামেরা।
তৃণমূল সূত্রে খবর, এবার প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রেও বাঙালি আবেগকে গুরুত্ব দেবে তৃণমূল। শুধু তাই নয়, রাজনৈতিক ভাবে যথেষ্ট অভিজ্ঞতা ও রাজ্যসভায় দলের বক্তব্য তুলে ধরতে পারবেন, এমন মুখকেই গুরুত্ব দেওয়া হবে বলে শাসক দল সূত্রে খবর।
