জঙ্গলমহলের মেঠো পথে তিনি সাংগঠনিক কাজ চালিয়ে গিয়েছেন। তিনি আশা করেছিলেন ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটে দল তাঁকে প্রার্থী করবে। ব্রিগেডের সভামঞ্চে ছিলেন তিনি। যদিও নিজের নাম না দেখে তিনি হতাশ হয়ে পড়েন। অভিমান অবশ্য লুকিয়ে রাখেননি সায়ন্তিকা। এ দিন সন্ধ্যায় অবশ্য সেই অভিমান গলে জল সায়ন্তিকার গলায়। দক্ষিণ কলকাতার ফ্ল্যাটের ১৮ তলায় বসে অবশ্য সায়ন্তিকা শোনালেন তার রাজনৈতিক লড়াইয়ের গল্প।
advertisement
বরাহনগর বিধানসভা আসন। রাজনৈতিক দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটা আসন। জ্যোতি বসু যেখানে দীর্ঘদিন বিধায়ক ছিলেন। সেই রাজনৈতিক আসন তৃণমূল কংগ্রেস দখলে নেয় ২০১১ সালে। যার হাত ধরে সেই আসন জয়। সেই তাপস রায় অবশ্য সদ্যই তৃণমূল কংগ্রেস ছাড়লেন। বিজেপিতে যোগ দিয়েই উত্তর কলকাতা লোকসভা আসনে প্রার্থী হলেন। তার ছেড়ে যাওয়া বরানগরে বিজেপি প্রার্থী করেছে সজল ঘোষকে। বিপক্ষের উদ্দেশ্য সায়ন্তিকার বক্তব্য, একটা স্বাস্থ্যকর রাজনৈতিক লড়াই হোক।
নিজের অভিনয় সত্ত্বার বিষয়কে গোপন করেননি সায়ন্তিকা। তবে বলেছেন, বাঁকুড়া গত তিন বছর ধরে আমাকে রাজনৈতিক ভাবে নানা শিক্ষা দিয়েছে। বরাহনগর আর বাঁকুড়ার ফারাক থাকতে পারে। তবে উন্নয়নের পক্ষে ভোট চাইব।
সায়ন্তিকা অবশ্য তার ফোনে থাকা একটা অডিও বার্তা শোনাচ্ছেন। নিউজ ১৮ বাংলা সেই অডিওর সত্যতা যাচাই না করলেও, সেখানে একজনকে বলতে শোনা যাচ্ছে বরাহনগর না দিয়ে আমাকে ডায়মন্ড হারবারে কেন দেওয়া হল না, আমি দুঃখ পেয়েছি। সায়ন্তিকা অবশ্য এই বার্তা তার বিপক্ষ বিজেপি প্রার্থীর বলছেন। নাম ঘোষণা হতেই তিনি কথা বলেছেন বরানগর ও উত্তর ২৪ পরগণা জেলা নেতৃত্বের সঙ্গে। একই সঙ্গে সায়ন্তিকার দাবি, ‘আমিই জিতছি। মানুষ উন্নয়নের পক্ষে ভোট দেবেন।’
