এসআইআর ইস্যুতে একই সঙ্গে বিজেপি এবং তৃণমূলকে আক্রমণ করেছেন সুজন চক্রবর্তী৷ কেন্দ্র এবং রাজ্যের শাসক দলকে আক্রমণ করে সুজন বলেন, ‘গতকাল থাপ্পড় খেয়েছে কোর্টের কাছে। সময় বাড়াতে হচ্ছে এখন । বিজেপির কথায় কাজ করছে নির্বাচন কমিশন। ঠিক যেমন কাজ করছে আইপ্যাক তৃণমূলের কথায়। মোস্তাফি বানুর জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চলে গেলেন দিল্লি। ৮৫০০ আধিকারিক দেওয়ার কথা বলল। ভুলে ভরা ওই আধিকারিকের তালিকা । গ্রুপ বি নয় এমন আধিকারিকের নাম আছে ওই তালিকায়। নির্বাচন কমিশন এর মতো রাজ্য সরকার এই দায় এড়িয়ে যেতে পারে না।’
advertisement
ফর্ম সেভেন নিয়েও বিস্ফোরক অভিযোগ করেছেন সিপিএমের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য৷ সুজন চক্রবর্তীর অভিযোগ, ‘ফর্ম সেভেন গাদা গাদা দেওয়া হলো । গোটা রাজ্য জুড়ে বিজেপি বেআইনি ভাবে কাজ করেছে এই ফ্রম সেভেন নিয়ে । তৃণমূল করছে একই কাজ। খড়দহ বিধানসভার একাধিক অভিযোগকারিণীর নাম নথি তথ্য সহ আজ দেওয়া হয়েছে কমিশনের কাছে । বিজেপি রাজনৈতিকভাবে হেনস্থা করছে আর তৃণমূল একইভাবে হেনস্থা করছে এলাকায় এলাকায় তাদের গুন্ডা দিয়ে যাঁদের পছন্দ নয় তাঁদের নাম বাদ দেওয়ার জন্য । এইব্যবস্থাগুলি পিছন থেকে করছে আইপ্যাক। নির্বাচন কমিশন নির্ভুল ভোটার তালিকা চায় না। যাদবপুরের একাধিক বুথে দেখা গিয়েছে বহু মানুষের নাম বাদ গিয়েছে খসড়া তালিকায় যাঁদের মধ্যে অধিকাংশ ভোট দিয়েছে ২০২৪- এর নির্বাচনে।’
সিপিএম নেতা বলেন, ‘ভোটের অধিকার নিয়ে ছ্যাবলামো করছে। ভূতের ভোটে অন্যান্য রাজ্যে বিজেপির মতো এরাজ্যে তৃণমূল ক্ষমতায় আছে। নির্বাচন কমিশন অযোগ্য, অপদার্থ, তাই শীর্ষ আদালত সময় বৃদ্ধি করছে। রাজ্য সরকার অপদার্থ তাই আদালতে থাপ্পড় খেয়েছে।’
প্রসঙ্গত এর আগে ফর্ম সেভেন নিয়ে বিজেপি-র বিরুদ্ধে একই অভিযোগে সরব হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস৷ খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ফর্ম সেভেন ব্যবহার করে বিজেপি বৈধ ভোটারদের নাম বাদ দিচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছিলেন৷ কয়েক হাজার ফর্ম সেভেন সমেত গাড়ি বাঁকুড়ায় ধরা পড়েছে বলেও দাবি করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী৷ এবার সেই ফর্ম সেভেনের অপব্যবহার নিয়ে সরব হল সিপিএমও৷
