এসআইআর কাজের সঙ্গে যুক্ত সমস্ত কর্মীকে অফিসে উপস্থিত থাকতেই হবে। সমস্ত জেলা নির্বাচনী আধিকারিক বা ডিস্ট্রিক্ট ইলেকশন অফিসার এবং ইলেক্ট্রোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসারদের অফিসে এসআইআর-এর জন্য হেল্প ডেস্ক খুলতে হবে। এসআইআর যেদিন ঘোষণা হবে তার পরের দিনে সর্বদলীয় বৈঠক ডাকা হবে।
আরও পড়ুন: বড় খবর! এসএসসি পরীক্ষার্থীদের ইন্টারভিউ প্রক্রিয়ায় বিরাট বদল! দ্রুত শিক্ষক নিয়োগ চায় রাজ্য
advertisement
মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের স্তরে যেমন সর্বদলীয় বৈঠক ডাকা হবে তেমনই, প্রত্যেকটি জেলার জেলাশাসকরাও সর্বদলীয় বৈঠক ডাকবেন। বৈঠকে যা আলোচনা হবে তার সমস্ত তথ্য নির্বাচন কমিশনকে পাঠাতে হবে। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের নির্দেশ জেলাশাসকদের বলেই কমিশন সূত্রে খবর।
স্পেশ্যাল ইনটেনসিভ রিভিশন চালু হলে পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা কমিশনের। শহরাঞ্চলে পরিযায়ী শ্রমিক এবং অন্যান্য রাজ্য থেকে কাজ করতে আসা কর্মীদের জন্য বিশেষভাবে হেল্পডেস্ক খুলতে হবে। জাতীয় নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠকের পরই রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকারিকের নির্দেশ জেলাশাসক তথা ডিস্ট্রিক্ট ইলেকশন অফিসারদের। এসআইআর ঘোষণা হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই প্রত্যেকটি জেলায় একটি করে বাংলায় অনুবাদ করার জন্য টিম তৈরি করে রাখতে হবে।
আরও পড়ুন: রাতে উঠবেন, সকালে ভুটান! এবার ট্রেনেই বিদেশ-ভ্রমণের সুবিধা দিচ্ছে ভারতীয় রেল, বিশদে জানুন
এসআইআর ঘোষণা হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই বিএলওদের অর্থাৎ বুথ লেভেল অফিসারদের প্রশিক্ষণের জন্য ৭ দিনের সময় দেওয়া হবে। প্রতিটি জেলার নির্বাচনী আধিকারিকদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখবেন অতিরিক্ত মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকরা। ইলেকট্ররাল রেজিস্ট্রেশন অফিসারদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখবেন যুগ্ম নির্বাচনী আধিকারিক পর্যায়ের আধিকারিকেরা। জেলাশাসকদের নির্দেশ রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের বলেই কমিশন সূত্রে খবর।
সোমরাজ বন্দ্যোপাধ্যায়
