দল ছাড়ার পর থেকেই বারবার প্রতীক উর বলেছেন দলের কোনও শীর্ষ নেতা বা রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম তার সঙ্গে যোগাযোগ করেনি। সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবার শতরূপ ঘোষ ফোন করেন প্রতীক উর রহমানকে। ফোন করে নানাভাবে একদা সতীর্থের মান ভাঙানোর চেষ্টা করেন শতরূপ। প্রতীক উরের যাবতীয় মান-অভিমান, ক্ষোভ-বিক্ষোভ, অভাব-অভিযোগ, সবকিছুকেই যথার্থ বলে আখ্যা দেন শতরূপ, কিন্তু কোনওভাবেই প্রতীকের মান ভাঙাতে পারেননি।
advertisement
সূত্রের খবর, ফোনে শতরূপ ঘোষকে প্রতীক উর রহমান বলেছেন, “আমার লড়াইটা আমি আমার মতোই লড়ব। আমি মনে করেছি আমার লড়াইটা আমি এক্সপোজ করে আসব। আর পার্টিটা কারও ব্যক্তিগত কারও বাবার সম্পত্তি হয়ে গিয়েছে। ফলে এটা আমার পার্টি আর মনে হচ্ছে না। বর্তমানে পার্টি থেকে আমি মানসিকভাবে অনেকটা দূরে সরে এসেছি। এই দূরত্ব আর মেটানো সম্ভব নয়।”
এছাড়াও ফোনালাপে হোলটাইমার শতরূপ ও হোলটাইমার প্রতীক উর রহমানের বিস্তর ফারাক রয়েছে বলেও জানিয়েছেন প্রতীক উর রহমান। এমনকী তাঁর বিরুদ্ধে তৃণমূলের সঙ্গে সেটিং করে চলার অভিযোগও দলের তরফ থেকে করা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। সাধারণ কমরেডরা তাকে ভালবাসেন ও তিনি বাধ্য হয়ে রাজনৈতিক আত্মহত্যা করছেন বলেও শতরূপ ঘোষকে ফোনে জানিয়েছেন প্রতীক উর রহমান।
কেন রাজ্য কমিটির মিটিংয়ে ডাকা হল না ও মহম্মদ সেলিম কেনো নিজে ফোন করলেন না, মিটিংয়ে বসলেন না, তা নিয়ে বারবার অভিযোগের কথা শতরূপ ঘোষকে জানিয়েছেন প্রতীক উর রহমান। ২ মাস কোনও ওয়েজ তোলেননি, কী খেয়ে আছি পার্টি খোঁজ নেয়নি বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি। শতরূপের ফোনেও মান না ভাঙায় শেষ পর্যন্ত মহম্মদ সেলিম প্রতীক উরের ঘর ওয়াপসির জন্য কোনও উদ্যোগ নেন কিনা সেটাই দেখার।
