পরিবার সূত্রে খবর, শৌচাগারে চিৎ হয়ে পড়েছিল দেহ। বাঁ পায়ের গোড়ালিতে কাটা দাগ ও গোড়ালি থেকে রক্তক্ষরণ চিহ্ন পাওয়া যায়। তাই প্রথমটায় বোঝা যায়নি কীভাবে পায়ে কাটা দাগ এল। কারণ পড়ে গেলে মাথার পিছনে আঘাতের সম্ভাবনা থাকে। কিন্তু শর্বরীর মাথার পিছনে আঘাতের কোনও চিহ্ন ছিল না। কানের পাশে আঘাতের চিহ্ন ছিল, দাবি করেন পারিবারিক চিকিৎসক। শর্বরী দত্তর দেহের পাশে রক্ত পড়েছিল। বাথরুমের সিঁড়ির কাছে দেহ পড়েছিল, দাবি পরিবারের। সেখান থেকে দেহ বেডরুমে আনা হয়। শর্বরী দত্তের বেশ কিছু ওষুধ ওই বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। মৃত্যুর পর ছেলে অমলিন দত্ত দাবি করেন,‘বুধবার রাতে মায়ের সঙ্গে শেষ দেখা হয়,গতকাল সারাদিন মাকে দেখতে পায়নি’।
advertisement
Location :
First Published :
Sep 18, 2020 6:54 PM IST
