সৌগত রায় বলেন, সাধারণ ভাবে কিছু নীতি অনুসরণ করে চলতে হবে৷ মানুষের যদি আমার সম্পর্কে ভাল ধারণা থাকে তাহলে মানুষ আমাকে ভোট দেবে৷ যেমন আমি মনে করি ভোটে জিততে গেলে কোনও গুন্ডা, মস্তানকে গুরুত্ব দেওয়া উচিত নয়৷ আমার অভিজ্ঞতা বলছে, ২০০৯ সালে বরাহনগরে আমাদের মাত্র তিন জন কাউন্সিলর ছিলেন৷ আজকে ৩২ জন৷ সেই অবস্থাতেও কিন্তু নির্বাচন লড়েছি৷
advertisement
কখনও দেখবেন না আমার গাড়িতে কোনও গুন্ডা, মস্তান ঘুরছে৷ কখনও শুনবেন না আমার নাম করে কেউ চাঁদা চাইছে৷ আমি কখনও কারও জমি, বাড়ির ঝামেলায় যাই না৷
এর পরেই বিধায়ক সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশ্যে সৌগত রায় বলেন, আমি সায়ন্তিকাকেও বলেছি, তুমি এসবের মধ্যে যাবে না৷ তোমার বয়স কম, অল্প দিন বিধায়ক হয়েছো৷ কে কোথায় গাছ কাটছে, কোথায় কার বাড়িতে কী সমস্যা রয়েছে, এ সব দেখা তোমার কাজ নয়৷ তুমি গোটা বরানগরের প্রতিনিধি৷ বিধায়ককে দেখেই তো মানুষের দল সম্পর্কে ধারণা হয়৷
প্রসঙ্গত কয়েকদিন আগেই বরানগরে সুদীপ্ত ঘোষ নামে এক ব্যবসায়ীকে বাড়িতে থেকে তুলে নিয়ে মারধরের অভিযোগ ওঠে স্থানীয় তৃণমূল নেতা শঙ্কর রাউতের ঘনিষ্ঠদের বিরুদ্ধে৷ ওই ব্যবসায়ীর থেকে এক লক্ষ টাকা তোলাও চাওয়া হয় বলে অভিযোগ৷ ওই ব্যবসায়ীকে বাড়ি থেকে টেনে হিঁচড়ে বের করে নিয়ে যাওয়ার সিসিটিভি ফুটেজ সমাজমাধ্যমে পোস্ট করেন বিজেপি নেতা সজল ঘোষ৷ পরে অবশ্য ব্যবসায়ীর অভিযোগের ভিত্তিতে তৃণমূলের স্থানীয় ছাত্র নেতা অর্পণ দত্ত সহ পাঁচ জন অভিযুক্তকেই গ্রেফতার করেছে পুলিশ৷ যদিও নির্বাচনের আগে এই ঘটনায় অস্বস্তিতে পড়েছিল শাসক দল৷ এলাকার বিধায়কের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছিল৷ এই ঘটনার পরেই বরানগরে গিয়ে তাই দলীয় বিধায়ককে সম্ভবত সতর্ক করে এলেন দলের সাংসদ সৌগত রায়৷
