ইমারতি দ্রব্যের ব্যবসায়ী সঞ্জয় খুনের পর থেকেই বেপত্তা হয়ে যান। ফোনে সঞ্জয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করে পুলিশ। থানায় তাকে তলব করা হয়। টানা জিজ্ঞাসাবাদে ভেঙে পড়েন সঞ্জয়। খুনের কথা স্বীকার করেন তিনি বলে দাবি পুলিশের । খুনের মোটিভ জানতেই ধৃতকে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
সঞ্জয় দীর্ঘদিন ভাড়া দিত না। এই নিয়ে অভিজিতবাবুর সঙ্গে ঝগড়া হয়। উল্টে গ্যারাজের পাশে নিজে নির্মাণ শুরু করেন। সেই ঘর থেকে বাড়িতে ঢোকার জায়গা রয়েছে। দু'দিন আগেও সঞ্জয়ের সঙ্গে বচসা হয়।
advertisement
প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, তার থেকে নজর ঘোরাতে নৃশংসভাবে খুন করা হয়েছে।
Location :
First Published :
Dec 15, 2017 3:24 PM IST
