২০১৭ সালের ১৪ নভেম্বর। দীর্ঘ লড়াইয়ের পর রসগোল্লার জিওগ্রাফিক্যাল আইডেন্টিফিকেশন বা জিআই পায় পশ্চিমবঙ্গ। ঐতিহাসিক এই জয়ের স্বীকৃতি দিতে রাজ্যে শুরু হয় রসগোল্লা দিবস।
রসগোল্লা দিবসে রসগোল্লা বিলি হল ফ্রিতে! পশ্চিম বর্ধমানের দুর্গাপুরে ফ্রিতে পথ চলতি মানুষকে মিষ্টি খাওয়ালেন দুর্গাপুরের মিষ্টি বিক্রেতারা। একই দিনে বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস, আবার রসগোল্লা দিবস। ডায়াবেটিস আর রসগোল্লার লড়াইতে দিনের শেষে জয়ী রসগোল্লাই।
advertisement
পূর্ব মেদিনীপুরের কোলাঘাটেও সাড়ম্বরে পালন হল রসগোল্লা দিবস। গামলা গামলা রসগোল্লা বিলি করলেন মিষ্টি বিক্রেতারা। পিছিয়ে নেই বোলপুরও ৷ এ যেন সারা বাংলা রসগোল্লা খাও প্রতিযোগিতা। বোলপুরের মিষ্টি দোকানে তিন ঘণ্টা ফ্রিতে খাওয়ানো হল রসগোল্লা। বাঁকুড়ায় অবশ্য কারও দোকানে আসার অপেক্ষা করেননি মিষ্টি ব্যবসায়ী সমিতির সদস্যরা। মাচানতলা মোড়ে রীতিমত ক্যাম্প করে তাঁরা পথ চলতি মানুষের হাতে তুলে দিয়েছেন রসগোল্লা। চুঁচুড়ার ঘড়ির মোড়ে বৃহস্পতিবার ছিল অন্য ব্যস্ততা। বৃহস্পতিবার চুঁচুড়াতে প্রায় ৩৫ হাজার রসগোল্লা বিলি করেছে স্বতন্ত্র মিষ্টান্ন সমিতি। মেদিনীপুর শহরে রসগোল্লা বিলির জন্য সাত সাতটি ক্যাম্প করেছিল মিষ্টান্ন ব্যবসায়ী সমিতির মেদিনীপুর শাখা। বিলি হয়েছে হাজার দশেক রসগোল্লা। বহরমপুরের গ্র্যান্ড হলের মাঠে রীতিমত প্যান্ডেল করে পালন হল রসগোল্লা দিবস। মিষ্টি ব্যবসায়ী সমিতির বহরমপুর শাখার সদস্যরা রসগোল্লা দিবসে মিষ্টি খাওয়ালেন প্রায় ৩০ হাজার শহরবাসীকে।
কোচবিহারে রাসের মেলায় উৎসাহ বাড়াল রসগোল্লা দিবস। রাস মেলা মাঠের পাশে রাস্তায় বিনামূল্যে রসগোল্লা বিলি করলেন মিষ্টি বিক্রেতারা। রসগোল্লা বাংলার নাকি ওড়িশার , সে বিতর্ক এখন অতীত। তবে বৃহস্পতিবার রীতিমত শাখায় শাখায় প্রতিযোগিতা করেই রাজ্যবাসীকে কয়েক লক্ষ মিষ্টি খাওয়ালেন মিষ্টি ব্যবসায়ী সমিতির সদস্যরা।