এদিন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা বলেন, “…এবার বাংলার মানুষ এই তৃণমূল সরকারকে সমূলে উৎখাত করার সংকল্প নিয়ে নিয়েছে এবং এখানকার মানুষের উৎসাহ এটাই ইঙ্গিত দিচ্ছে যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এখানে ক্ষমতাচ্যুত হবেন এবং এবার মোদির বিজেপি সরকার গঠিত হবে। এটা শুধু বাংলাকে রক্ষা করার বিষয় নয়। এটা সমগ্র দেশকে রক্ষা করার বিষয়। বাংলায় যে অনুপ্রবেশকারীরা আসে, তারা শুধু আমাদের বাঙালি ভাইবোনদের অধিকারই কেড়ে নেয় না, দেশের নিরাপত্তার জন্যও হুমকি হয়ে দাঁড়ায়। আমাদের সরকার ক্ষমতায় এলেই অনুপ্রবেশকারীদের থামানো হবে…”।
advertisement
একইসঙ্গে রেখার দাবি, “মহিলারা নিজেদের সুরক্ষার জন্য বিজেপিকে এবার আনবে। এই মিছিলে বিপুল সংখ্যক মহিলাদের উপস্থিতি সেটাই প্রমাণ করছে। এই রাজ্যের মহিলা মুখ্যমন্ত্রী মহিলাদের সুরক্ষা দিতেই ব্যর্থ। এই মিছিলে জনসমাবেশ প্রমাণ করছে বাংলায় এবার বিজেপির সরকার আসছে। বাংলার মানুষ ঠিক করে নিয়েছে এবার এই সরকারকে বিদায় দেবে।”
দিলীপ ঘোষের মনোনয়ন পেশে এদিন ছিল চোখে পড়ার মতো ভিড়। উপস্থিত ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। ২০১৬ সালে এই খড়গপুর সদর কেন্দ্র থেকেই প্রথম বিজেপির বিধায়ক নির্বাচিত হন দিলীপ ঘোষ। তৃণমূল কংগ্রেসের রামা প্রসাদ তিওয়ারিকে ২৭৩৬০ ভোটে হারিয়ে দেন তিনি। তবে ২০১৯-এ দিলীপ ঘোষ মেদিনীপুর কেন্দ্রের সাংসদ নির্বাচিত হওয়ার পর উপনির্বাচনে এই কেন্দ্র হাতছাড়া হয় বিজেপির। যদিও একুশের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি ফের জয়ী হয় এই কেন্দ্রে।
তবে দিলীপ ঘোষের কাছে এই কেন্দ্রে লড়াই এবার প্রেস্টিজ ফাইট। নাম ঘোষণা হওয়ার পরেই নিজস্ব ঢঙে বিজেপির এই প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি হুংকার দিয়েছিলেন,”দিলীপ ঘোষ খড়গপুর সদরের মোট আড়াই লক্ষ ভোটারের মধ্যে দুই তৃতীয়াংশ ভোট নিজের ঝুলিতে নিয়ে এক লক্ষ মার্জিনে জিতবেন। সেটাই তাঁর এবারের লক্ষ্য। ফলাফল কী হয় তার উত্তর সময় দেবে তবে মনোনয়ন ঘিরে উন্মাদনা তুঙ্গে বিজেপি কর্মী সমর্থকদের।
