আটের দশকে গেরুয়া রাজনীতিতে পা রাখার পর এখনও দলের কাজ করে চলেছেন তিনি। মাত্র ১৭ বছর বয়সে আরএসএস অর্থাৎ সংঘের হাত ধরে পদ্মশিবিরে তাঁর পদার্পণ। সেই থেকে আজ পর্যন্ত নিরলসভাবে কাজ করে গিয়েছেন শুধু দলের জন্য। রাজ্য এবং জাতীয় স্তরে যোগাযোগ বেশ ভাল। ২০০৯ থেকে ২০১৫, এই ৬ বছর তিনি ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। শেষবার ২০২১ সালের বিধানসভা ভোটে হাবড়া থেকে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের বিরুদ্ধে প্রার্থী হয়েছিলেন। সেই ভোটে পরাজয়ের পর থেকে অবশ্য কোনও স্থায়ী পদ নেই রাহুল সিনহার।
advertisement
আরও পড়ুন– ৩ মার্চ, ২০২৬ চন্দ্রগ্রহণ: জেনে নিন কোন রাশি সুসংবাদ পাবে এবং কারা চাপের মুখে পড়বে?
এর আগে রায়গঞ্জ, মেদিনীপুর, বাঁকুড়া ও দু’বার উত্তর কলকাতা লোকসভা কেন্দ্র থেকে লড়াই করে পরাজিত হয়েছেন রাহুল সিনহা। আবার করণদিঘী, জগদ্দল, জোড়াসাঁকো ও হাবরা থেকে বিধানসভায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে হেরেছেন তিনি। যাকে তৃণমূল কংগ্রেস কটাক্ষ করত, ‘ঘুরে ঘুরে হেরেছে’। রাহুল সিনহার নাম ঘোষণা হওয়ার পরেই কটাক্ষ করছে তৃণমূল কংগ্রেস । দলের মুখপাত্র অরুপ চক্রবর্তী বলেন, রাহুল সিনহা ৯০-এর দশক থেকে হারছেন। এবারও ভোট হলে ক্রস ভোটিংয়ে হারতেন তিনি। যাই হোক রাজ্যসভায় ভোট হচ্ছে না। তাই মনোনীত প্রার্থী হিসাবে তিনি জয় লাভ করবেন। পাশাপাশি এদিন রাহুল সিনহাকে উদ্দেশ্য করে অরুপ চক্রবর্তী বলেন, বাংলা থেকে সাংসদ হিসাবে যাচ্ছেন। আশা করি বাংলার মানুষের কথা তিনি বলবেন। বলবেন বাংলার বকেয়া মিটিয়ে দিতে।
