সেলিম আবেগপ্রবণ হয়ে পড়লেও তাঁর চোখের জলকে ‘কুম্ভীরাশ্রু’ বলে কটাক্ষ করলেন প্রতীক উর রহমান৷ শুধু তাই নয়, সিপিএমের রাজ্য সম্পাদককে তীব্র কটাক্ষ করে প্রতীক উর আরও বলেন, ‘রতনে রতন চেনে, উনি চেনেন হুমায়ুন-শতরূপ৷’
মহম্মদ সেলিম এ দিন দাবি করেছেন, দলের রাজ্য সম্পাদক মণ্ডলীর বৈঠকে তিনি প্রতীক উর রহমানের প্রসঙ্গ তুলেছিলেন৷ প্রতীক উরের সম্পর্কে গত দেড় দু মাস ধরে অভিযোগ আসছিল বলেও এ দিন ইঙ্গিত দিয়েছেন মহম্মদ সেলিম৷ তবে প্রতীক উর সম্পর্কে দল কোনও সিদ্ধান্ত এখনও নেয়নি বলেই জানিয়েছেন মহম্মদ সেলিম৷
advertisement
প্রতীক উর সম্পর্কে সিপিএম রাজ্য সম্পাদক বলেন, ‘রাজ্য সম্পাদকমণ্ডলীর বৈঠকে প্রতীক উরের প্রসঙ্গ আসেনি সেভাবে। আমি উত্থাপন করেছি । শেষদিনে আমাকে উত্তাপন করতে হয়, প্রস্তাব দিয়েছি। আমার কাছে নতুন প্রজন্মের ছেলেমেয়েকে ইনভেস্ট করতে হয়। অত্যন্ত বেদনাদায়ক। এই ধরনের কর্মীকে হারানো সন্তানহারা হওয়ার সমান। এমন ঘটনা ঘটলে মা সন্তানকে আগলে রেখে দেয়। গত দেড় দু মাস ধরে কয়েকটা অভিযোগ আসছিল। অভিযোগ আসলে নির্দিষ্ট জায়গায় পাঠানো হয় । যে মুহূর্তে পেলাম এটাকে আমি দেখব বলেছিলাম । কিন্তু যোগাযোগ করা যায়নি। জানতে পারি ওর অন্যদিকে যোগাযোগ বাড়ছে। পার্টির পক্ষ থেকে কোনও সিদ্ধান্ত হলে জানিয়ে দেবো।’
প্রতীক উর রহমান অবশ্য পাল্টা মনে করিয়ে দিয়েছেন, মহম্মদ সেলিমকেই চিঠি লিখে দলের সব দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চেয়েছেন৷ ফলে সিপিএম তাঁকে নিয়ে এখন কী সিদ্ধান্ত নেবে, তার কোনও গুরুত্ব নেই৷ প্রতীক উর বলেন, ‘উনি ভাল করে চিঠি পড়ুন, আমি নিজেই লিখে দিয়েছি অব্যাহতি নিলাম।’
