রাজ্য সিপিএম নেতৃত্ব যখন কঠোর অবস্থান নিচ্ছেন, তখন পাল্টা সিপিএম নেতাদের অস্বস্তি বাড়ালেন প্রতীক উর রহমানও৷ বুধবার একাধিক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া প্রতিক্রিয়ায় রাজ্য সিপিএমের অন্দরে লবিবাজি, কাছের লোকদের বাঁচানোর মতো অভিযোগ এনেছেন প্রতীক উর৷ দলের রাজ্য সম্পাদককে পাঠানো তাঁর ইস্তফাপত্র কীভাবে ফাঁস হল, কারা বিমান বসুর সঙ্গে তাঁর আলোচনার কথা সংবাদমাধ্যমে জানিয়ে দিল, সেই প্রশ্ন তুলেছেন সিপিএম থেকে সদ্য পদত্যাগী এই তরুণ নেতা৷ নাম না করে দলের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিমকেও বিঁধেছেন প্রতীক উর৷
advertisement
তরুণ এই নেতা বলেন, কারা আমার ইস্তফাপত্র ফাঁস করে দিল, তাঁদের খুঁজে বের করা দরকার৷ এঁদের চিহ্নিত করতে না পারলে দল বাঁচবে না৷ আমি সিপিএম নেতৃত্বের সঙ্গে কথা বলতে চাই, যে কালপ্রিটরা দলের ভিতরে লুকিয়ে আছে তাঁদের অবিলম্বে খুঁজে বের করে শাস্তি দেওয়া দরকার৷ তাহলে দলটা বেঁচে যাবে৷ কিন্তু আমি জানি এই কাছের লোকদের বাঁচানো হবে৷ বিমানদার সঙ্গে আমার কথা হল, সেটাও সংবাদমাধ্যমে ফাঁস করে দেওয়া হল৷ ফলে দলের ভিতরে কোনও গোপনীয়তা নেই৷ প্রতীক উর অভিযোগ করেছেন দিনের পর দিন তাঁর মতো অনেকেই সিপিএমে লবিবাজির শিকার হয়েছেন৷
প্রতীক উর রহমান সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিমের নাম না করেই অভিযোগ করেছেন, যাঁকে আমি পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছিলাম তাঁকে ফোন করলেও তিনি ধরেননি৷ তবে প্রতীক উর স্বীকার করেছেন, দলের বেশ কয়েকজন সিনিয়র নেতা তাঁকে ফোনও করেছেন৷
তবে নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা বজায় রেখেছেন প্রতীক উর৷ তিনি সত্যিই তৃণমূলে যোগ দিচ্ছেন কি না, তা নিয়েও মুখ খুলতে চাননি তরুণ এই নেতা৷ তবে প্রতীক উর যা ইঙ্গিত দিয়েছেন তাতে আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই তাঁর রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ স্পষ্ট হতে পারে৷
